জগন্নাথপুরে তালাবদ্ধ ঘর থেকে বৃদ্ধার অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার
মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:১৪ PM

জগন্নাথপুরে তালাবদ্ধ ঘর থেকে বৃদ্ধার অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার

জগন্নাথপুর (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ০১/০৯/২০২৬ ১১:১০:২৯ AM

জগন্নাথপুরে তালাবদ্ধ ঘর থেকে বৃদ্ধার অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার


সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে তালাবদ্ধ একটি ঘর থেকে আছিয়া বেগম (৬০) নামে এক বৃদ্ধার অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে জগন্নাথপুর পৌরসভার ইনাতনগর এলাকা  বৃদ্ধার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তিনি ওই এলাকার মৃত খালিক মিয়ার স্ত্রী।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, একমাত্র মেয়েকে বিয়ে দেওয়ার পর থেকেই বাড়িতে একা বসবাস করতেন আছিয়া বেগম। গত বৃহস্পতিবার চিকিৎসার জন্য জেলা শহর সুনামগঞ্জে যাওয়ার পর থেকে স্বজনদের সঙ্গে তার আর কোনো যোগাযোগ হয়নি।

সোমবার রাতে ওই বাড়ির পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয় কয়েকজন তালাবদ্ধ ঘর থেকে পচা দুর্গন্ধ পান। বিষয়টি তারা পুলিশকে জানালে জগন্নাথপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। পরে ঘরের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে খাটের ওপর কম্বল গায়ে দেওয়া অবস্থায় আছিয়া বেগমের অর্ধ-গলিত মরদেহ দেখতে পায় পুলিশ।

আছিয়া বেগমের মেয়ে কল্পনা বেগম বলেন, ‘বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে মায়ের সঙ্গে আর কোনো যোগাযোগ হয়নি। একাধিকবার মোবাইলে ফোন করেও উনাকে পাইনি। তিনি বাড়িতে একাই থাকতেন।’

তবে মৃত্যুর ঘটনাকে স্বাভাবিক হিসেবে দেখছেন না পরিবারের সদস্যরা। কল্পনার স্বামী দিলশাদ মিয়ার দাবি, আছিয়া বেগমের সঙ্গে কারও শত্রুতা ছিল না। কিন্তু চিকিৎসার জন্য তার কাছে নগদ ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকা ছিল বলে জানান তিনি।

দিলশাদ মিয়া বলেন, ‘আমার শাশুড়ির সঙ্গে কারও কোনো শত্রুতাও ছিল না। তবে উনার কাছে চিকিৎসার জন্য নগদ ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকা ছিল। আমাদের ধারণা ওই টাকার জন্য উনাকে হত্যা করা হয়েছে এবং ঘরটি বাইর থেকে তালা দেওয়া হয়েছে।’

ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন জগন্নাথপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মোস্তাফিজুর রহমান। তিনি জানান, মরদেহের বেশ কিছু অংশ পচে গেছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মঙ্গলবার সকালে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে মর্গে পাঠানো হবে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর জানা যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

আজকের সিলেট/ জেকেএস

সিলেটজুড়ে


মহানগর