গোলাপগঞ্জে বিক্রির বিজ্ঞাপন দেওয়া একটি মোটরসাইকেল ‘ট্রায়াল’ দেওয়ার কথা বলে নিয়ে পালানোর অভিযোগে এক পুলিশ কনস্টেবলকে আটক করে স্থানীয় লোকজন। পরে তাকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এ ঘটনায় অভিযুক্ত কনস্টেবল মোরসালিনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
শনিবার সকালে সিলেটের সহকারী পুলিশ সুপার (গণমাধ্যম) মোহাম্মদ সম্রাট তালুকদার জাগো নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে বৃহস্পতিবার বিকেলে গোলাপগঞ্জ পৌর এলাকার ভইটিকর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। মোরসালিন সিলেটের বিয়ানীবাজার থানায় কনস্টেবল হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, গোলাপগঞ্জের হেতিমগঞ্জ এলাকার সাইদুর রহমান তার ব্যবহৃত মোটরসাইকেল বিক্রির জন্য ফেসবুকে বিজ্ঞাপন দেন। বিজ্ঞাপনটি দেখে মোরসালিন ও ওলিউল ইসলাম নামে একজন সাইদুরের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। পরে তারা হেতিমগঞ্জে গিয়ে মোটরসাইকেলটি দেখেন।
মোটরসাইকেলটি পছন্দ হওয়ার পর মোরসালিন সেটি চালিয়ে দেখার কথা বলেন। এরপর ‘ট্রায়াল’ দেওয়ার কথা বলে মোটরসাইকেল নিয়ে গোলাপগঞ্জের দিকে চলে যান তিনি। বিষয়টি নিয়ে সন্দেহ হলে মালিক সাইদুর তার পিছু নেন।
এক পর্যায়ে গোলাপগঞ্জ পৌর এলাকার ভইটিকরে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় মোরসালিনকে আটক করা হয়। এসময় তার সঙ্গে থাকা ওলিউল ইসলাম মোরসালিনকে চেনেন না বলে দাবি করেন। পরে স্থানীয় লোকজন মোরসালিনকে মারধর করে গোলাপগঞ্জ মডেল থানায় নিয়ে যায়।
বিয়ানীবাজার থানার ওসি আবু জাফর মো. মাহফুজুল করিম বলেন, মোটরসাইকেল সংক্রান্ত ঘটনায় পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। তার সঙ্গে যে যুবক ছিলেন তাকে তিনি চেনেন না বলে জানান।
আজকের সিলেট/এপি









