সিলেট বিভাগের চারটি উৎপাদনরত গ্যাসক্ষেত্রের মধ্যে কোথাও নির্ধারিত সক্ষমতার চেয়ে বেশি গ্যাস উত্তোলন হচ্ছে, আবার কোনো কোনো ক্ষেত্রে উৎপাদন নেমে এসেছে সক্ষমতার অর্ধেকের নিচে। সবচেয়ে দুর্বল অবস্থানে রয়েছে হরিপুর গ্যাসক্ষেত্র। বিপরীতে রশিদপুর ও বিয়ানীবাজারে সক্ষমতার তুলনায় উৎপাদনের হার বেশি।
পেট্রোবাংলার প্রোডাকশন অ্যান্ড মার্কেটিং ডিভিশনের দৈনিক গ্যাস ও কনডেনসেট উৎপাদন-বণ্টন প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে। বৃহস্পতিবার (৮ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টা থেকে শুক্রবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টার উৎপাদনের হিসাব বিশ্লেষণ করে এই চিত্র পাওয়া গেছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, সিলেট অঞ্চলের হরিপুর, কৈলাশটিলা, রশিদপুর ও বিয়ানীবাজার—এই চারটি গ্যাসক্ষেত্রে মোট উৎপাদন কূপ রয়েছে ১৭টি। এসব কূপে প্রতিদিন সর্বোচ্চ ১৪৩ এমএমসিএফডি গ্যাস উৎপাদনের সক্ষমতা থাকলেও গত ২৪ ঘণ্টায় উত্তোলন হয়েছে ১৪০ দশমিক ১ এমএমসিএফডি।
উৎপাদনের দিক থেকে সবচেয়ে পিছিয়ে হরিপুর। ১৩ এমএমসিএফডি সক্ষমতার এই গ্যাসক্ষেত্র থেকে গত ২৪ ঘণ্টায় পাওয়া গেছে মাত্র ৬ দশমিক ১ এমএমসিএফডি। অর্থাৎ সক্ষমতার অর্ধেকেরও কম গ্যাস উত্তোলন হয়েছে সেখানে।
অন্যদিকে কৈলাশটিলা গ্যাসক্ষেত্রে উৎপাদন হয়েছে ৪২ দশমিক ৩ এমএমসিএফডি। এ ক্ষেত্রটির সক্ষমতা ৪৭ এমএমসিএফডি। কৈলাশটিলা-১ কূপ থেকে কোনো উৎপাদন না হলেও কৈলাশটিলা-২-এর চারটি কূপ থেকে এই গ্যাস পাওয়া গেছে।
রশিদপুরে আবার সক্ষমতার চেয়েও সামান্য বেশি গ্যাস উত্তোলন হয়েছে। সাতটি কূপের এই গ্যাসক্ষেত্রের দৈনিক উৎপাদন সক্ষমতা ৭০ এমএমসিএফডি। এর বিপরীতে গত ২৪ ঘণ্টায় উৎপাদন হয়েছে ৭০ দশমিক ৪ এমএমসিএফডি অর্থাৎ সক্ষমতার চেয়ে শূন্য দশমিক ৪ এমএমসিএফডি বেশি।
বিয়ানীবাজার গ্যাসক্ষেত্রেও উৎপাদনের হার তুলনামূলকভাবে ভালো। মাত্র দুটি কূপ থেকে ১৮ দশমিক ৫ এমএমসিএফডি গ্যাস উত্তোলন হয়েছে। অথচ গ্যাসক্ষেত্রটির দৈনিক উৎপাদন সক্ষমতা ১৩ এমএমসিএফডি।
আজকের সিলেট/ জেকেএস









