যুক্তরাজ্যে ওয়ার্ক পারমিটে পাঠানোর কথা বলে অন্তত ৫০ জনের কাছ থেকে প্রায় ১৫ কোটি টাকা নেওয়ার পর ফেমেক্স অ্যাসোসিয়েট নামের একটি প্রতিষ্ঠান অফিস বন্ধ করে উধাও হয়ে গেছে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) প্রতারণার অভিযোগ নিয়ে শ্রম-কর্মসংস্থান, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিকমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর কাছে যান তারা। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ শোনার পর মন্ত্রী তাৎক্ষণিকভাবে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন-র্যাব-৯-এর অধিনায়ককে ফোন করে বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।
ভুক্তভোগীরা জানান, যুক্তরাজ্যে যাওয়ার আশায় প্রত্যেকে ফেমেক্স অ্যাসোসিয়েটকে ৩০-৩১ লাখ টাকা করে দেন। প্রতিষ্ঠানটি ওয়ার্ক পারমিটের মাধ্যমে যুক্তরাজ্যে পাঠানোর আশ্বাস দিয়েছিল। টাকা নেওয়ার পর বিভিন্ন অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করতে থাকে তারা।
একপর্যায়ে গ্রাহকেরা টাকা ও বিদেশ যাওয়ার বিষয়ে চাপ দিলে প্রতিষ্ঠানটির কার্যালয় বন্ধ করে সংশ্লিষ্টরা পালিয়ে যান বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীরা। পরে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করলে তাদের উল্টো হুমকি দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে।
এ ঘটনায় নয়জন বাদী হয়ে আদালতে অভিযোগ করেছেন। মামলায় ফেমেক্স অ্যাসোসিয়েটের মোসাররফ, সোমা ঘোষ কেয়া, মোস্তাফিজ, সাদ, মীমসহ আরও কয়েকজনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।
ভুক্তভোগীদের ভাষ্য অনুযায়ী, অন্তত ৫০ জনের কাছ থেকে একইভাবে ৩০-৩১ লাখ টাকা করে নেওয়া হয়েছে। যুক্তরাজ্যে ওয়ার্ক পারমিটে যাওয়ার আশায় তারা এসব টাকা জমা দিয়েছিলেন।
এর আগে একই অভিযোগে প্রতিকার চেয়ে গত ২১ জুন মানববন্ধনও করেছিলেন প্রতারণার শিকার নারী-পুরুষরা। এবার বিষয়টি নিয়ে তারা প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রীর কাছে অভিযোগ জানালেন।
ভুক্তভোগীদের দাবি, টাকা উদ্ধারের পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হোক এবং যুক্তরাজ্যে পাঠানোর নামে নেওয়া অর্থ ফেরতের ব্যবস্থা করা হোক।
আজকের সিলেট/ জেকেএস









