সিলেটে মেঘের গর্জন আর অবিরাম বর্ষণে বন্যার পদধ্বনি
মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ০৫:২২ AM

সিলেটে মেঘের গর্জন আর অবিরাম বর্ষণে বন্যার পদধ্বনি

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৬/০৫/২০২৪ ১১:৩০:৫৪ AM

সিলেটে মেঘের গর্জন আর অবিরাম বর্ষণে বন্যার পদধ্বনি


কয়েক দিনের বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে সিলেটে নদ-নদীর পানি বেড়েছে। এরই মধ্যে সিলেটের দুটি নদ-নদীর পানি শুষ্ক মৌসুমের বিপদসীমা অতিক্রম করেছে। বৃষ্টি অব্যাহত থাকলে বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে বলে মনে করছেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা। ফলে সিলেটজুড়ে বন্যার পদধ্বনি শোনা যাচ্ছে।

সোমবার ভোররাত থেকেও সিলেটে শুরু হয়েছে মুষলধারে বৃষ্টি।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গ্রীষ্মকালে সিলেটে সুরমা নদী কানাইঘাট পয়েন্টে বিপদসীমা ১০ দশমিক ৮ সেন্টিমিটার। আর বর্ষা মৌসুমে বিপদসীমা ১৩ দশমিক ৭৫ মিটার। অথচ এই মৌসুমে ১১ দশমিক ১১ সেন্টিমিটারে পৌঁছেছে (শুক্রবার) পানির স্তর। যেটি এই মৌসুমে সাধারণত হওয়ার কথা নয়। তবে শনিবার পানির স্তর ১০ দশমিক ৩ সেন্টিমিটারে নেমে আসে। একইভাবে কুশিয়ারা নদীর পানিও উজানের ঢলে বাড়লেও এখন কমতে শুরু করেছে। তবে শনিবার রাতভর বৃষ্টিপাত হওয়ায় সিলেটের বিভিন্ন ভাটি অঞ্চলে বেড়েছে পানি।

পানি উন্নয়ন বোর্ড বলছে- বৃষ্টি অব্যাহত থাকলে সিলেটে আগাম বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে। মূলতঃ সিলেটে বৃষ্টির কারণে আগাম বন্যা হয় না, বাংলাদেশের উজানে ভারতের মেঘালয়ে ভারী বৃষ্টি হলে আগাম বন্যা হয়। শনিবার রাতে সিলেটে ৩৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।

সিলেট পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী বলেন, প্রাকবর্ষা মৌসুমে সিলেটে ও ভারতে বৃষ্টির ফলে নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। ভারতে বৃষ্টি কমে গেলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে যাবে। তবে ভারতে বৃষ্টি অব্যাহত থাকলে আগাম বন্যা দেখা দিতে পারে। এ সময় সিলেটের নদ-নদীগুলোর পানি বর্ষা মৌসুমের বিপদসীমা অতিক্রম করতে পারে।

জানা গেছে, সিলেটে শনিবার দিবাগত রাতভর বৃষ্টি হয়েছে। সঙ্গে ছিলো বজ্রগর্জন, বজ্রপাত ও ঝড়োহাওয়ার সঙ্গে প্রবল ঝড়। সিলেট আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ শাহ মো. সজিব হোসাইন রোববার সকালে জানিয়েছেন- শনিবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে রোববার সকাল ৬টা পর্যন্ত সিলেটে ৩৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে।

আজকের সিলেট/ডি/এসটি

সিলেটজুড়ে


মহানগর