সিকৃবিতে নতুন ভিসি হলেন অধ্যাপক ড. শফি উল্লাহ
সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৩৬ PM

সিকৃবিতে নতুন ভিসি হলেন অধ্যাপক ড. শফি উল্লাহ

জসিম উদ্দীন, সিকৃবি

প্রকাশিত: ২৮/০৯/২০২৬ ০৮:৪৬:৩২ PM

সিকৃবিতে নতুন ভিসি হলেন অধ্যাপক ড. শফি উল্লাহ


উপাচার্যের পদত্যাগ চেয়ে শিক্ষক-কর্মচারীদের চলমান আন্দোলনের মাঝেই সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (সিকৃবি) নতুন উপাচার্য নিয়োগ দিল সরকার। নতুন উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ শফি উল্লাহ জুমদার।

সোমবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সরকারি সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা থেকে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। সহকারী সচিব মো. সুলতান আহমেদের স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে এ নিয়োগের বিষয়টি জানানো হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলরের অনুমোদনক্রমে সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০০৬ এর ১০(১) ধারা অনুযায়ী ড. মুহাম্মদ সফি উল্যাহ মজুমদার, প্রফেসর, এগ্রিকালচার এক্সটেশন এন্ড ইনফরমেশন সিস্টেম বিভাগ, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা-কে সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পদে তার নিয়োগের মেয়াদ যোগদানের তারিখ থেকে চার বছর অথবা তার বয়স ৬৫ বছর পূর্ণ হওয়ার তারিখ পর্যন্ত, যেটি আগে ঘটে, কার্যকর থাকবে। তবে, প্রযোজ্য ক্ষেত্রে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তিনি একই পদে পুনর্নিয়োগের জন্য যোগ্য বিবেচিত হতে পারেন বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে। উপাচার্য হিসেবে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে সার্বক্ষণিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অবস্থান করবেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন ও বিধি অনুযায়ী অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা ভোগ করবেন।

প্রজ্ঞাপনে আরো বলা হয়, রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলর প্রয়োজনবোধে যেকোনো সময় এ নিয়োগ বাতিল করতে পারবেন। জনস্বার্থে এ আদেশ জারি করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, উপাচার্য অধ্যাপক ড. আলিমুল ইসলামের পদত্যাগ ও অপসারণের দাবিতে দীর্ঘ সময় ধরে আন্দোলন করছেন সিকৃবির শিক্ষক-কর্মকর্তাদের একটি অংশ। ৭ সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন প্রশাসনিক দায়িত্ব থেকে পাঁচ শিক্ষকসহ এগারো শিক্ষক-কর্মকর্তা পদত্যাগ করেন। পরে উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে মানববন্ধন, অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন তারা।

আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, উপাচার্য দায়িত্ব নেওয়ার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগ, কেনাকাটা, উন্নয়নকাজ ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে বিভিন্ন অনিয়ম হয়েছে। তাদের দাবি, আবেদনের ন্যূনতম যোগ্যতা পূরণ না করা প্রার্থীদেরও শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব মেধাবী গ্র্যাজুয়েটদের বঞ্চিত করে অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রার্থীদের নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগও তুলেছেন তারা। সাম্প্রতিক আটজন শিক্ষক নিয়োগে পক্ষপাতিত্ব ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগ রয়েছে বলেও দাবি তাদের।

আজকের সিলেট/এপি/প্রতিনিধি

সিলেটজুড়ে


মহানগর