প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চট্টগ্রাম বিএনপির ৬০০ নেতার সভা, নজর কমিটি গঠনে
রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ০২:৩০ PM

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চট্টগ্রাম বিএনপির ৬০০ নেতার সভা, নজর কমিটি গঠনে

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৯/০৮/২০২৬ ১০:৩০:২৮ AM

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চট্টগ্রাম বিএনপির ৬০০ নেতার সভা, নজর কমিটি গঠনে


বিএনপি সরকার গঠনের পর প্রথমবারের মতো চট্টগ্রাম সফরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তাঁর এই সফর ঘিরে চট্টগ্রামের রাজনৈতিক অঙ্গনে যেমন আগ্রহ তৈরি হয়েছে, তেমনি দলের ভেতরেও গুরুত্ব পাচ্ছে সফরের শেষভাগে অনুষ্ঠেয় একটি সাংগঠনিক সভা। রোববার রাতে নগরীর রেডিসন ব্লুতে অনুষ্ঠেয় ওই সভায় চট্টগ্রাম উত্তর, দক্ষিণ ও মহানগর বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের প্রায় ৬০০ নেতা উপস্থিত থাকবেন বলে দলীয় সূত্র জানিয়েছে।

দলটির স্থানীয় নেতাদের কাছে সভাটির গুরুত্ব অন্য জায়গায়। চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপিতে এখনো পূর্ণাঙ্গ কমিটি নেই। দক্ষিণ জেলার অধীন বিভিন্ন উপজেলা, থানা ও পৌরসভা কমিটি গঠন নিয়েও আলোচনা চলছে। একই সঙ্গে মহানগর বিএনপির ওয়ার্ড পর্যায়ের সংগঠন এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলোকে আরও সক্রিয় করার বিষয়টিও সামনে রয়েছে। সামনে স্থানীয় সরকার নির্বাচন। ফলে নির্বাচনের আগে তৃণমূলের সাংগঠনিক কাঠামো শক্তিশালী করতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা আসতে পারে বলে আশা করছেন নেতারা।

বিশেষ করে উত্তর জেলা বিএনপির কমিটি গঠন নিয়ে সভায় আলোচনা হতে পারে বলে প্রত্যাশা রয়েছে দলের জ্যেষ্ঠ নেতাদের মধ্যে। দক্ষিণ জেলার বিভিন্ন ইউনিটের কমিটি গঠন এবং মহানগরের ওয়ার্ড পর্যায়ের সাংগঠনিক কার্যক্রম নিয়েও দিকনির্দেশনা আসতে পারে বলে মনে করছেন নেতারা।

দলীয় সূত্র বলছে, সভায় চট্টগ্রাম উত্তর ও দক্ষিণ জেলার বিভিন্ন উপজেলা, থানা ও পৌরসভা বিএনপির আহ্বায়ক ও সদস্যসচিব, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের জেলা পর্যায়ের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক, উত্তর জেলার জ্যেষ্ঠ নেতারা এবং দক্ষিণ জেলা বিএনপির পুরো কমিটির নেতারা উপস্থিত থাকবেন। চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির নেতাদের পাশাপাশি বিভিন্ন ওয়ার্ডের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদেরও সভায় থাকার কথা রয়েছে।

চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপি নিয়ে দলের ভেতরে দীর্ঘদিন ধরে আলোচনা রয়েছে। সাতটি সংসদীয় আসন নিয়ে গঠিত এই সাংগঠনিক জেলার পূর্ণাঙ্গ কমিটি না থাকাকে দলের সাংগঠনিক দুর্বলতা হিসেবে দেখছেন অনেকে। তাঁদের মতে, জেলা পর্যায়ে কার্যকর কমিটি না থাকায় উপজেলা ও পৌরসভা পর্যায়ের কার্যক্রমেও এর প্রভাব পড়ছে।

চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ও চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) চেয়ারম্যান প্রকৌশলী বেলায়েত হোসেন মনে করেন, দ্রুত উত্তর জেলা কমিটি গঠন করা প্রয়োজন। বার্তা২৪.কমকে তিনি বলেন, ‘উত্তর জেলা বড় একটি সাংগঠনিক জেলা। এটি সাতজন সংসদ সদস্যের এলাকা। এখানে কমিটি ছাড়া চলাটা ঠিক নয়। এতে নেতাকর্মীদের মধ্যে একটা হতাশা কাজ করে।’

প্রধানমন্ত্রীর সফরের কর্মসূচিতে বন্যার্তদের পুনর্বাসনের পাশাপাশি সাংগঠনিক সভা থাকায় এ সভা থেকে উত্তর জেলা বিএনপির কমিটির বিষয়ে সিদ্ধান্ত আসার প্রত্যাশা করছেন তিনি।

বেলায়েত হোসেন বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর চট্টগ্রাম সফরে বন্যার্তদের পুনর্বাসনের অনুষ্ঠানের পাশাপাশি যেহেতু একটি গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক সভা রাখা হয়েছে, আমার মনে হয় তিনি দ্রুতই উত্তর জেলার কমিটির বিষয়ে একটি সিদ্ধান্ত দেবেন। তিনি সরাসরি সাংগঠনিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ দুটি জেলা ও মহানগরের নেতাদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করবেন। আমার মনে হয়, তাঁর কাছ থেকে এ বিষয়ে একটি নির্দেশনা থাকবে।’

তৃণমূল পর্যায়ে দলকে আরও শক্তিশালী করার প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘তৃণমূলও আশা করে, জেলা কমিটি হয়ে গেলে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের আগে সাংগঠনিকভাবে প্রত্যেকটি উপজেলা ও পৌরসভাকে শক্তিশালী করা হবে। দ্রুত কমিটি গঠনের মাধ্যমে দল শক্ত হলে সরকারও শক্তিশালী থাকে। প্রধানমন্ত্রীর সফরকে ঘিরে নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ তৈরি হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

দক্ষিণে জেলা কমিটি আছে, অপেক্ষা ইউনিট কমিটির

উত্তর জেলার মতো কমিটি-সংকট না থাকলেও দক্ষিণ জেলা বিএনপির অধীন উপজেলা ও পৌরসভা পর্যায়ের কমিটি নিয়ে আলোচনা রয়েছে। স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে এসব ইউনিট দ্রুত সক্রিয় করার প্রয়োজনীয়তা দেখছেন দলটির নেতারা।

চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি ইদ্রিস মিয়া বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে দক্ষিণ চট্টগ্রামে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে বাঁশখালীর অনুষ্ঠানে এলাকার বিভিন্ন দাবি তুলে ধরার পরিকল্পনা রয়েছে।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী আসছেন, এটিকে ঘিরে দক্ষিণ চট্টগ্রামে আমরা প্রস্তুতি নিয়েছি। যেহেতু বাঁশখালীতে একটি বড় অনুষ্ঠান আছে, আমাদের অনেক কিছু চাওয়ার আছে।

চট্টগ্রামের উন্নয়ন প্রসঙ্গে কয়েকটি দাবির কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, প্রথমে আমরা দাবি রাখব, বেগম খালেদা জিয়া চট্টগ্রামকে বন্দরনগরী হিসেবে যে ঘোষণা দিয়েছিলেন, প্রধানমন্ত্রী যেন এবার সেটি কার্যকর করেন। একই সঙ্গে চট্টগ্রামের আয় থেকে একটি অংশ যেন চট্টগ্রামের উন্নয়নের জন্য দেওয়া হয়। বেড়িবাঁধ ও যোগাযোগ অবকাঠামোর বিষয়েও প্রধানমন্ত্রীর কাছে দাবি জানানো হবে বলে জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, বেড়িবাঁধের বিষয়টি তো আছেই। পতেঙ্গার আউটার রিং রোডটি যেন আনোয়ারা, বাঁশখালী হয়ে পেকুয়া ও কক্সবাজার পর্যন্ত করা হয়  এ দাবিও আমরা জানাব।

দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাংগঠনিক কাঠামো প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমাদের ৬৪ সদস্যের জেলা কমিটি আছে। উপজেলা ও পৌরসভা কমিটির বিষয়ে আমি ২ জুলাই প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দিয়েছি। তিনি যেহেতু চট্টগ্রামে আসছেন এবং আমাদের সঙ্গে সভা করবেন, সেখানে বিষয়টি নিয়ে কোনো বার্তা থাকতে পারে। আমরা সেটির অপেক্ষায় আছি।

মহানগরেও তৃণমূল গোছানোর তাগিদ

উত্তর ও দক্ষিণ জেলার কমিটি নিয়ে আলোচনার পাশাপাশি চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপিও প্রধানমন্ত্রীর সাংগঠনিক সভাকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখছে। নগর বিএনপির নেতাদের মতে, সামনে সিটি করপোরেশনসহ স্থানীয় সরকার নির্বাচন থাকায় মহানগর ও এর ওয়ার্ড পর্যায়ের সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করার প্রয়োজন রয়েছে।

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক এরশাদ উল্লাহ বলেন, উনি প্রধানমন্ত্রী, তার আগে আমাদের দলেরও প্রধান। সামনে যেহেতু সিটি করপোরেশন থেকে শুরু করে পৌরসভা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন আছে, এসবকে সামনে রেখে দলকে সুসংগঠিত করার জন্য তিনি একটি বার্তা দেবেন।

দলের সাংগঠনিক কাঠামো শক্তিশালী করার বিকল্প নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘দলকে সুসংগঠিত করা ছাড়া আমাদের কোনো উপায় নেই। আমরা মনে করি, জনাব তারেক রহমান একদিকে যেমন মানবিক কারণে বন্যার্তদের দেখতে সরকারি সফরে আসছেন, একই সঙ্গে তিনি সাংগঠনিক সফরেও আসছেন।

মহানগর বিএনপির সদস্যসচিব নাজিমুর রহমান বলেন, নগর বিএনপিতে তৃণমূল পর্যায়ে দীর্ঘদিন ধরে দলের সঙ্গে থাকা অনেক ত্যাগী নেতাকর্মী রয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাংগঠনিক সভায় তাঁদের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার বিষয়টিও গুরুত্ব পাচ্ছে।

তিনি বলেন, আমাদের দলে অনেক ত্যাগী তৃণমূল নেতাকর্মী আছেন। যেহেতু কম সময়ে আমাদের আয়োজন করতে হচ্ছে, যে হলরুমটি নেওয়া হয়েছে, সেটিতে বেশি মানুষ ধারণের সুযোগ নেই। তিন জেলা মিলিয়ে প্রায় ৬০০ নেতা থাকবেন।

মহানগর বিএনপির পক্ষ থেকে প্রায় ৩০০ নেতা সভায় অংশ নেবেন জানিয়ে নাজিমুর রহমান বলেন, এর মধ্যে আমাদের মহানগর বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন মিলিয়ে প্রায় ৩০০ জন থাকবে। এটি আমাদের দলের প্রধান তারেক রহমানের চট্টগ্রামে পূর্ণাঙ্গ প্রথম সাংগঠনিক সভা। নগর বিএনপির নেতাদের মতে, মহানগরের ওয়ার্ড পর্যায়ে সংগঠনকে আরও গতিশীল করা, তৃণমূলের নেতাকর্মীদের সক্রিয় রাখা এবং সামনে স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সাংগঠনিক প্রস্তুতি জোরদার করাই হবে বড় চ্যালেঞ্জ। প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে এ বিষয়ে দিকনির্দেশনা পাওয়া গেলে নগর বিএনপির সাংগঠনিক কার্যক্রমে নতুন গতি আসতে পারে বলে তাঁরা মনে করছেন।

তিন সাংগঠনিক ইউনিট, প্রত্যাশাও তিন রকম

চট্টগ্রাম উত্তর, দক্ষিণ ও মহানগর বিএনপির নেতাদের সঙ্গে কথা বলে দেখা গেছে, তিন সাংগঠনিক ইউনিটের প্রত্যাশা কিছুটা আলাদা। উত্তরের প্রধান চাওয়া জেলা কমিটি। দক্ষিণের নেতারা উপজেলা ও পৌরসভা পর্যায়ের কমিটি গঠনের বিষয়ে নির্দেশনা চান। আর মহানগরের নেতাদের কাছে গুরুত্ব পাচ্ছে ওয়ার্ড পর্যায়ে সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করা এবং স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে তৃণমূলকে প্রস্তুত করা।

তবে তিন পক্ষের অভিন্ন প্রত্যাশা হচ্ছে- প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছ থেকে সাংগঠনিকভাবে দলকে আরও শক্তিশালী করার সুস্পষ্ট বার্তা পাওয়া।

বিএনপির চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের প্রশাসক মাহবুবে রহমান শামীমের মতে, প্রধানমন্ত্রীর সফরের সাংগঠনিক সভাটি দলের জন্য বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। বার্তা২৪.কমকে তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর চট্টগ্রাম সফরটি সাংগঠনিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ। যেহেতু একটি সাংগঠনিক সভা রাখা হয়েছে, সেখানে চট্টগ্রাম উত্তর, দক্ষিণ ও মহানগরের প্রায় ৬০০ জন বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা থাকবেন। সভা থেকে সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর দিকনির্দেশনা আসতে পারে বলে মনে করেন তিনি।

মাহবুবে রহমান শামীম বলেন, সাংগঠনিক কাজকে আরও শক্তিশালী করার জন্য প্রধানমন্ত্রী হয়তো নতুন দিকনির্দেশনা দিয়ে যাবেন। সেখানে উত্তরে যেহেতু কমিটি নেই, সেখানকার জ্যেষ্ঠ নেতারা থাকবেন। আর দক্ষিণের যারা কমিটিতে আছেন, তাঁরা থাকবেন।

স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে

বিএনপির স্থানীয় নেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, জাতীয় নির্বাচনের পর এখন স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদার করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। জেলা থেকে শুরু করে উপজেলা, পৌরসভা, থানা ও ওয়ার্ড পর্যায়ে সক্রিয় কমিটি থাকা জরুরি বলে মনে করছেন তাঁরা।

চট্টগ্রামের ক্ষেত্রে এই প্রয়োজন আরও বেশি বলে মনে করছেন নেতারা। কারণ, উত্তর জেলা বিএনপির কমিটি না থাকায় সেখানে সাংগঠনিক কাঠামো পুনর্গঠনের বিষয়টি সামনে রয়েছে। দক্ষিণ জেলায় জেলা কমিটি থাকলেও উপজেলা ও পৌরসভা পর্যায়ে কমিটি গঠন ও পুনর্গঠনের বিষয়টি আলোচনায় রয়েছে। মহানগরেও ওয়ার্ড পর্যায়ের সংগঠনকে আরও সক্রিয় করার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।

এ অবস্থায় প্রধানমন্ত্রী ও দলের প্রধানের সঙ্গে সরাসরি আলোচনার সুযোগকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করছেন দলের নেতারা। তাঁদের প্রত্যাশা, সভায় শুধু সাংগঠনিক সমস্যার কথা শোনা নয়, কোন পর্যায়ে কীভাবে কমিটি গঠন করা হবে এবং স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে দলকে কীভাবে আরও সক্রিয় করা হবে- সে বিষয়ে সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা আসতে পারে।

প্রধানমন্ত্রীর সফরের সময় একই সঙ্গে উত্তর, দক্ষিণ ও মহানগরের বিপুলসংখ্যক নেতাকে নিয়ে সাংগঠনিক সভার আয়োজন হওয়ায় সেই অপেক্ষা আরও বেড়েছে। তবে শুধু উত্তর জেলা নয়, দক্ষিণের উপজেলা-পৌরসভা এবং মহানগরের ওয়ার্ড পর্যায়ের সংগঠন নিয়েও প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে নির্দেশনা চান নেতারা।

দলের তৃণমূল নেতাদের একটি অংশ মনে করছে, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের আগে কমিটি গঠন ও সাংগঠনিক পুনর্বিন্যাসের বিষয়ে এবার কেন্দ্র থেকে স্পষ্ট বার্তা আসতে পারে।

আজকের সিলেট/ জেকেএস

সিলেটজুড়ে


মহানগর