উন্নত জীবন জীবিকার জন্যে স্বপ্নে বাড়ি ছেড়েছিলেন দিরাই উপজেলার তারাপাশা গ্রামের মৃত ক্বারী ইসলাম উদ্দীনের ছেলে মো. সাহান (২৫)। কিন্তু তার সেই স্বপ্নই দুঃস্বপ্নে পরিণত হয়। দালালের প্রলোভনে লিবিয়া হয়ে অবৈধ পথে গ্রিসে যাওয়ার সময় ভূমধ্যসাগরে ডুবে সুনামগঞ্জের ১০ যুবকের মৃত্যু হয়েছে যার মধ্যে একজন সে। তবে মো. সাহানের বড় ভাই মো. জাকারিয়া আহমেদের দাবি তার ছোট ভাই বেঁচে রয়েছেন এবং হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।
রোববার দুপুরে নিজ বাড়ির আঙ্গিনায় গণমাধ্যমকে দেয়া এক সাক্ষাতকারে এমন তথ্য জানান তিনি।
সাহানের বড় ভাই জাকারিয়া আহমেদ বলেন, আমাকে গতকাল রাতে ভিডিও কলের একজনের সাথে কথা হয়েছে। তার গ্রামের বাড়ি দিরাই বাগবাড়ি তিনি আমাকে একজন মানুষের সাথে কথা বলিয়ে দিয়েছেন সে আমার ভাই লগে যারা নৌকায় ছিল তাদের একজন। সে আমাকে জানিয়েছে আপনার ভাইরে আমি ছিনি ২ মাস ১০ দিন আমরা একসাথে ছিলাম, এক বিছনায় ঘুমিয়েছি তো আপনার ভাইরে আমি দেখছি। মেডিকেল কোস্টগার্ডে উদ্ধার করে তারে ভর্তি করছে খুব বেশি অসুস্থ।
সাহানের ইউরোপ যাওয়ার প্রবল ইচ্ছে ছিল জানিয়ে তার বড় ভাই জাকারিয়া বলেন, আমাদের এলাকা থেকে কয়েকজন যুবক ইতিমধ্যেই এভাবেই লিবিয়া হয়ে ইউরোপে গিয়েছেন। এটা দেখে আমার ভাই বিদেশ যাওয়ার জন্য উঠেপড়ে লাগে, আমাকে বলে অনেক বন্ধু বান্ধব অনেকে যাইরো। আমি কইলাম যে ভাই এই রাস্তায় যাওয়া ঠিক নায় সে নাছোড়বান্দা। তারপরে সেই আমাকে নাম্বার জোগাড় করে দেয়। তারপর কথা বলে ১৭ ফেব্রুয়ারি ফ্লাইট হইছে তারপর ২৩ কিংবা ২৪ ফেব্রুয়ারি তারা গিয়ে লিবিয়া পৌছে। তারপর যোগাযোগ হইতো যে দালালে তারারে গেইম দিয়ে দিবে আজকে না হয় কালকে এভাবে আমাদের জানায়।
তিনি আরও বলেন, ২২ তারিখ পর্যন্ত আমার ভাই লাগে শেষ কথা হইছে। সেসময় সে বলেছিল আমরা ভালো আছি আমরার লাগি দোয়া করিও।
তিনি জানান, ১২ লক্ষ টাকা চুক্তিতে লিবিয়া হয়ে ইউরোপ যাওয়ার সিদ্ধান্ত হয় দালালের সাথে তবে এখন পর্যন্ত ৬ লাখ টাকা দেয়া হয়েছে।
আজকের সিলেট/এপি
নিউজ ডেস্ক 








