পবিত্র ঈদুল আজহাকে ঘিরে উৎসবমুখর পরিবেশে পর্যটক বরণে প্রস্তুত সিলেটের সীমান্তবর্তী উপজেলা গোয়াইনঘাটের পর্যটনকেন্দ্রগুলো। ঈদের দীর্ঘ ছুটিতে দেশজুড়ে ভ্রমণপিপাসু মানুষের ঢল নামবে বলে আশা করছেন স্থানীয় ব্যবসায়ী ও পর্যটনসংশ্লিষ্টরা। এ উপলক্ষে জাফলং, বিছনাকান্দি, রাতারগুল ও পান্তুমাইসহ বিভিন্ন পর্যটনকেন্দ্রে নেওয়া হয়েছে ব্যাপক প্রস্তুতি।
এ বিষয়ে গোয়াইনঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রতন কুমার অধিকারী জানান, ঈদকে সামনে রেখে পর্যটকদের নিরাপত্তা ও সেবার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
পাহাড়, নদী, ঝরনা আর স্বচ্ছ জলের অপরূপ সৌন্দর্যে ঘেরা গোয়াইনঘাট দীর্ঘদিন ধরেই প্রকৃতিপ্রেমী পর্যটকদের অন্যতম পছন্দের গন্তব্য। তবে গেল কয়েক সপ্তাহে পর্যটকের উপস্থিতি তুলনামূলক কম থাকায় কিছুটা লোকসানের মুখে পড়েন পর্যটননির্ভর ব্যবসায়ীরা। ঈদুল আজহাকে ঘিরে এখন সেই মন্দাভাব কাটিয়ে নতুন আশায় বুক বাঁধছেন তারা।
পর্যটকদের আকৃষ্ট করতে নতুন সাজে সজ্জিত করা হয়েছে দোকানপাট ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান। কসমেটিকস, হস্তশিল্প ও বাহারি পণ্যের দোকানগুলোতেও বেড়েছে প্রস্তুতি। সাম্প্রতিক বৃষ্টিপাতে পাহাড়ি ঝরনা ও নদীগুলোতে পানির প্রবাহ বৃদ্ধি পাওয়ায় প্রকৃতি ফিরে পেয়েছে নতুন রূপ, যা পর্যটকদের ভ্রমণকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
তবে টানা বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ি ঢলের বিষয়টি মাথায় রেখে পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে উপজেলা প্রশাসন, থানা পুলিশ ও টুরিস্ট পুলিশের পাশাপাশি পর্যটন এলাকাগুলোতে বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। পাশাপাশি দায়িত্ব পালন করছে রোভার স্কাউট টিম।
ঈদের ছুটিতে পরিবার-পরিজন ও বন্ধুদের সঙ্গে প্রকৃতির সান্নিধ্যে সময় কাটাতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বিপুল সংখ্যক পর্যটকের আগমনের প্রত্যাশা করছেন স্থানীয়রা।
আজকের সিলেট / জেকেএস
সৈয়দ হেলাল আহমদ বাদশা, গোয়াইনঘাট থেকে 








