৪৫ বছর বয়সেও রূপাঞ্জনা মিত্রের চেহারায় বয়সের ছাপ খুব একটা চোখে পড়ে না। টালিউডের এই অভিনেত্রী সৌন্দর্য ধরে রাখতে কৃত্রিম উপায়ের চেয়ে ঘরোয়া উপকরণেই বেশি ভরসা করেন। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নিজের ত্বকের যত্ন ও জীবনযাপনের নানা অভ্যাসের কথা জানিয়েছেন তিনি।
ত্বকের লাবণ্য ধরে রাখতে দামি সিরামের বদলে রান্নাঘরের বিভিন্ন উপকরণ ব্যবহার করেন রূপাঞ্জনা। চোখের নিচের কালি কমাতে আলুর খোসা এবং মুখের দাগছোপ দূর করতে ধনেপাতা বাটা ব্যবহার করেন বলে জানান তিনি। সপ্তাহে অন্তত এক দিন টক দই, মধু ও কফি মিশিয়ে তৈরি প্যাকও মুখে লাগান। গরমের সময়ে মুখে বরফ ঘষে ত্বক মসৃণ রাখার চেষ্টা করেন অভিনেত্রী।
শুধু মুখের ত্বকের যত্নেই নয়, নিজেকে আকর্ষণীয় রাখা ও যৌবনের ছাপ ধরে রাখতেও ঘরোয়া পদ্ধতির ওপর নির্ভর করেন রূপাঞ্জনা। গোসলের সময় পানির সঙ্গে সামান্য দুধ মিশিয়ে নেন তিনি।
নিজের এই অভ্যাসের ব্যাখ্যায় রূপাঞ্জনা বলেন, ‘রান্নাঘর থেকেই মানুষের জীবনে সমস্ত রসায়ন শুরু হয়। বিজ্ঞান থেকে সংসার, রান্নাঘরই সব। তাই ওই জায়গাটিকে বেশি গুরুত্ব দিই।’
তবে শুধু ত্বকের যত্নের উপকরণেই সীমাবদ্ধ নয় তার সৌন্দর্যচর্চা। পুষ্টিকর খাবার এবং মানসিক প্রশান্তিকেও সমান গুরুত্ব দেন অভিনেত্রী। বিদেশি খাবারের তুলনায় সাধারণ ভাত, ডাল ও তরকারিকেই বেশি পছন্দ করেন তিনি। অতিরিক্ত ডায়েট করে শরীরের স্বাভাবিক সৌন্দর্য নষ্ট করতে চান না রূপাঞ্জনা।
শরীর ঠিক রাখতে ভাজাভুজি এড়িয়ে চললেও সপ্তাহে এক দিন ফুচকা ও পছন্দের পাঁঠার মাংসের বিরিয়ানি খাওয়ার লোভ সামলান না তিনি। অন্যদিকে মানসিক শান্তি ও ত্বকের উজ্জ্বলতা ধরে রাখতে গত আট-নয় বছর ধরে নিয়মিত যোগাসন করছেন।
ছোট পর্দা দিয়ে অভিনয়জীবন শুরু করা রূপাঞ্জনা পরে চলচ্চিত্রের দর্শকদের কাছেও পরিচিত হয়ে ওঠেন। দীর্ঘ অভিনয়জীবনে ‘জননী’, ‘প্রতিবিম্ব’, ‘ইরাবতীর চুপকথা’-এর মতো জনপ্রিয় ধারাবাহিকে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করে প্রশংসা পেয়েছেন তিনি।
আজকের সিলেট/ জেকেএস
বিনোদন ডেস্ক 








