‘অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে কুলাউড়াকে শান্তির জনপদ গড়ে তুলতে চাই’
সোমবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:৫১ PM

‘অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে কুলাউড়াকে শান্তির জনপদ গড়ে তুলতে চাই’

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৯/০২/২০২৬ ০৯:০৪:৩৫ PM

‘অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে কুলাউড়াকে শান্তির জনপদ গড়ে তুলতে চাই’


ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মৌলভীবাজার-২ আসনে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য প্রার্থী, সাবেক সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট নওয়াব আলী আব্বাছ খান বলেছেন, অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে কুলাউড়ার উন্নয়নে আমৃত্যু কাজ করতে চাই। দীর্ঘদিন থেকে কুলাউড়ার মানুষের সুখ-দুঃখ, সমস্যা ও সম্ভাবনার সাথে যুক্ত আছি। মানুষের ভালোবাসা ও দোয়ায় এলাকার মানুষের জীবনমান উন্নয়নে অবদান রাখব। বিগত তিন বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে কুলাউড়ার মানুষের জন্য কাজ করেছি। আমার কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে।

সোমবার নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণাকালে তিনি এসব কথা বলেন।

নওয়াব আলী আব্বাছ খান বলেন, উপজেলার প্রতিটি স্কুলে প্রতিবন্ধীসহ সকল শিক্ষার্থীর মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিতের জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো, শিক্ষা উপকরণ সরবরাহসহ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে যুগোপযোগী করে তোলা হবে। কর্মমুখী শিক্ষার প্রসারে ব্যবস্থা তথা কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। তিনি আরও বলেন, স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নের জন্য কুলাউড়া হাসপাতালকে আধুনিকায়ন, শয্যা বৃদ্ধি, প্রয়োজনীয় চিকিৎসক বৃদ্ধি করা হবে। আঞ্চলিকভাবে রবিরবাজার, ব্রাহ্মণবাজার, বরমচাল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স আধুনিকায়ন করা হবে। এসব প্রতিষ্ঠানকে জনবান্ধব হিসেবে গড়ে তোলা হবে।

তিনি বলেন, বেকার যুবকদের কর্মমুখী করার লক্ষ্যে আধুনিক কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র তৈরি করার উদ্যোগ গ্রহণ করব। বিদেশে চাকরির চাহিদা বিবেচনা করে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলার লক্ষ্যে যুগোপযোগী ট্রেডে প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা করা হবে। ফ্রিল্যান্সিং ও আইসিটি কাজের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য প্রশিক্ষণ এবং দেশ ও প্রবাসে তরুণ-তরুণীদের জন্য ব্যাপকহারে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা হবে।

নওয়াব আলী আব্বাছ বলেন, রেল যোগাযোগ, ব্রডগেজ লাইন স্থাপন ও আসন সংখ্যা বৃদ্ধিসহ রেল যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। ভাটেরা, লংলা, টিলাগাঁওসহ বন্ধ থাকা স্টেশনগুলো পুনরায় চালু ও আধুনিকায়নে পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

তিনি আরও বলেন, বিদ্যুৎ বিপণন ব্যবস্থার উন্নয়ন ও বিকল্প জ্বালানি সৌর বিদ্যুৎ ও বিকল্প শক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করা হবে। এশিয়ার বৃহত্তম হাওর হাকালুকি এলাকার আগাম বন্যা, জলাবদ্ধতা প্রতিরোধে কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে। হাওর অঞ্চলের মানুষের বিকল্প জীবিকায়নে কৃষি ব্যবস্থার উন্নয়নে কাজ করব। হাকালুকি হাওরকে উন্নয়ন বোর্ডের অন্তর্ভুক্ত করে পরিবেশবান্ধব উন্নয়ন ব্যবস্থা করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

সর্বশেষ তিনি আরও বলেন, ক্রীড়ার উন্নয়নে রাজনীতিমুক্ত প্রকৃত ক্রীড়া সংগঠক দ্বারা, ক্রীড়া সংগঠন গঠন করা করা হবে। খেলাধুলা প্রসারের জন্য কুলাউড়া সদরে স্টেডিয়াম নির্মাণ করা হবে। প্রবাসীদের সহযোগিতার জন্য ওয়ান স্টেপ হেল্প ডেস্ক গঠন করে বিভিন্ন আইনগত জটিল সমস্যা সমাধানে ব্যবস্থা গ্রহণ হবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন পৃথিমপাশা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান নবাব আলী নকী খান, জাতীয় পার্টি নেতা সৈয়দ আশরাফ আলী, ব্যবসায়ী মিশকাত মজিদ রুহিন, সমাজসেবক তোফায়েল চৌধুরী, জাতীয় পার্টি নেতা আহাদ মিয়া প্রমুখ।

আজকের সিলেট/এপি

সিলেটজুড়ে


মহানগর