শাবিপ্রবিতে বিদ্যুৎ আসার পরই একে একে পুড়ে শিক্ষার্থীদের ফ্যান-লাইট-চার্জার
শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৪১ PM

শাবিপ্রবিতে বিদ্যুৎ আসার পরই একে একে পুড়ে শিক্ষার্থীদের ফ্যান-লাইট-চার্জার

শাবি প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ০৩/১০/২০২৬ ০৮:২৫:৫৮ PM

শাবিপ্রবিতে বিদ্যুৎ আসার পরই একে একে পুড়ে শিক্ষার্থীদের ফ্যান-লাইট-চার্জার


শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) শাহপরাণ হলে হাই ভোল্টেজের কারণে অসংখ্য ফ্যান, লাইট, চার্জার, মাল্টিপ্লাগসহ শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন ইলেকট্রনিক সামগ্রী পুড়ে নষ্ট হয়েছে। এ ঘটনায় অন্তত ১৫ থেকে ২০ জন শিক্ষার্থী আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন।

শনিবার বিকেল ৩টার দিকে বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার প্রায় ২০ মিনিট পর সংযোগ এলে হলের বিভিন্ন ব্লকে এ ঘটনা ঘটে।

আকস্মিকভাবে অতিরিক্ত ভোল্টেজ প্রবাহিত হওয়ায় বিভিন্ন কক্ষের বৈদ্যুতিক সামগ্রী পুড়ে যায়। এ সময় হলের ডাইনিংয়ের একটি ওভেনও নষ্ট হয়। তবে কোনো অগ্নিকাণ্ড বা হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা জানান, বিদ্যুৎ সংযোগ আসার পর হঠাৎ ফ্যানগুলো স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি গতিতে ঘুরতে শুরু করে। কিছুক্ষণের মধ্যে বিভিন্ন কক্ষে থাকা মাল্টিপ্লাগ, মোবাইল চার্জার, লাইট ও ফ্যান পুড়ে নষ্ট হতে থাকে।

হলের ‘এ’ ব্লকের দ্বিতীয় তলার শিক্ষার্থী সৈকত জানান, বিকেল ৩টার দিকে বিদ্যুৎ যাওয়ার প্রায় ২০ মিনিট পর সংযোগ আসে। তখন তার ফ্যান অস্বাভাবিক গতিতে ঘুরতে শুরু করে। রেগুলেটর ঘুরিয়েও গতি নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছিল না। কিছুক্ষণের মধ্যেই টেবিলের লাইটটি পুড়ে ল্যাপটপের ওপর পড়ে যায়।

তিনি বলেন, রুমের পাশের ওয়াশরুমের লাইটটিও বিকট শব্দে বিস্ফোরিত হয়। আশপাশের প্রায় সব কক্ষেই একই ধরনের ক্ষতি হয়েছে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থীদের আর্থিক ক্ষতির দায় কে নেবে, সে প্রশ্নও তোলেন তিনি।

ঘটনার পর হলের বৈদ্যুতিক নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন শিক্ষার্থীরা। তারা বৈদ্যুতিক ত্রুটি স্থায়ীভাবে সমাধানের পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষার্থীদের ক্ষতিপূরণের দাবি জানান।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশল দপ্তরের সহকারী প্রকৌশলী হেলাল উদ্দিন মাহমুদ বলেন, কী কারণে এ ত্রুটি ঘটেছে তা এখনই নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না। তবে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, হঠাৎ লাইনে ভোল্টেজ অতিরিক্ত বেড়ে যাওয়ায় এ সমস্যা হয়েছে।

শাহপরাণ হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান বলেন, আজ হলের বৈদ্যুতিক লাইনের মেরামতের কাজ চলছে। এমন ঘটনা ঘটে থাকলে তা অত্যন্ত দুঃখজনক। কী কারণে এমনটা ঘটেছে, তা খতিয়ে দেখতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলছেন তিনি।

আজকের সিলেট/এপি/প্রতিনিধি

সিলেটজুড়ে


মহানগর