সুনামগঞ্জের বৌলাই নদীতে হাউসবোট থেকে পড়ে নিখোঁজ হওয়ার প্রায় ৪০ ঘণ্টা পর রুকাইয়া নুর (১০) এর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। রোববার ভোরে পিরোজপুর গ্রামের কাছাকাছি নদীতে শিশুটির মরদেহ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
নিহত রুকাইয়া নুর ফরিদপুর জেলার কোতোয়ালি থানার গোলচামট ২ নম্বর সড়ক এলাকার বাসিন্দা চিকিৎসক শাহনুর রহমানের মেয়ে।
তাহিরপুর থানার ওসি ফারুক আহমেদ জানান, নদীতে ভাসমান মরদেহ পাওয়ার খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত সেখানে গিয়ে সেটি উদ্ধার করে। প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পর মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, শুক্রবার (২১ আগস্ট) দুপুর ২টার দিকে রুকাইয়াসহ প্রায় ২০ জন পর্যটক ‘সাফিনা এ লাক্সারী ওয়াটার ভিলা’ নামের একটি হাউসবোটে মধ্যনগর থেকে যাদুকাটা নদীর উদ্দেশে যাত্রা করেন। পথে বৌলাই নদীর দক্ষিণকুল গোদারাঘাট এলাকায় পৌঁছালে চলন্ত হাউসবোট থেকে হঠাৎ নদীতে পড়ে যায় শিশুটি। এরপর থেকেই সে নিখোঁজ ছিল।
হাউসবোটে থাকা অন্য পর্যটকরা তাৎক্ষণিকভাবে নদীতে খোঁজাখুঁজি করেও শিশুটির সন্ধান পাননি। পরে বিষয়টি ফায়ার সার্ভিসকে জানানো হয়। খবর পেয়ে শুক্রবার বিকেল ৪টা থেকে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল নদীতে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। দীর্ঘ সময় অভিযান চালিয়েও তখন শিশুটির কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।
আজকের সিলেট/ জেকেএস
তাহিরপুর (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি 








