বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর স্থায়ী কমিটির সদস্য ও জাতীয় সংসদ সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, স্বৈরাচারী আওয়ামী লীগ সরকার দেশের অর্থনীতিকে ধ্বংস করে পালিয়ে গেছে। তিনি বলেন, গণতন্ত্র, ভোটাধিকার এবং পরিবর্তনের সুযোগ না থাকলে রাজনৈতিক অস্থিরতা ও নানা ধরনের দুর্ঘটনার সৃষ্টি হয়। একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমেই সরকার ও রাজনীতিবিদরা জনগণের আস্থা অর্জন করতে পারেন।
শুক্রবার বিকেল ৫টায় সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলা সদরে জনপ্রিয় বস্ত্র বিতান চন্দ্রবিন্দু-এর র্যাফেল ড্র অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে জনগণ তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট প্রদানের মাধ্যমে স্বাধীনভাবে মত প্রকাশের সুযোগ পায়। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে বিএনপির অসংখ্য নেতাকর্মী রক্ত ও ত্যাগ স্বীকার করেছেন। তাঁদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত সফলতাকে রক্ষা করাই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।
তিনি দেশের মানুষকে ধৈর্য ধারণের আহ্বান জানিয়ে বলেন, “আমরা জনগণের ভালোবাসার প্রতিদান দিতে চাই। যদি জনগণের সঙ্গে করা প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে ব্যর্থ হই, তাহলে আগামী দিনে জনগণ আমাদেরকেও প্রত্যাখ্যান করবে।”
এ সময় তিনি জৈন্তাপুরের মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন এবং স্থানীয় অর্থনীতিতে অবদান রাখার লক্ষ্যে চন্দ্রবিন্দুর নতুন শাখা চালু করায় প্রতিষ্ঠানটির মালিকপক্ষকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যবসায়ী মালিক সমিতির সভাপতি হেলাল উদ্দিন, সহ-সভাপতি ও চন্দ্রবিন্দু জৈন্তাপুর শাখার ব্যবস্থাপক খন্দকার হেলাল আহমদ, জৈন্তাপুর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হাফিজ, নিজপাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইন্তাজ আলী, দরবস্ত ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বাহারুল আলম বাহার, জৈন্তিয়া জনদাবী পরিষদের সভাপতি ইলিয়াস উদ্দিন লিপু, প্রবীণ শিক্ষক প্রদীপ লানং ও সিরাজুল হক, জৈন্তাপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি গোলাম সরওয়ার বেলাল,জৈন্তাপুর অনলাইন প্রেসক্লাবের সহসভাপতি ইমাম উদ্দিন সিলেট জেলা যুবদলের যুগ্ম সম্পাদক আবুল হাসিম, জৈন্তাপুর ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আমিনুল ইসলাম সুহেল, ব্যবসায়ী মাহবুবুর রহমান, আব্দুর রহমান রিপন, নিয়াজ রহমান, আজিজুর রহমানসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
আজকের সিলেট/এপি/প্রতিনিধি
ইমাম উদ্দিন, জৈন্তাপুর থেকে 








