হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার খরকি গ্রামে বিচার সালিশে মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে নারী-পুরুষসহ অন্তত ৪০ জন আহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার উপজেলার খরকি গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, একই গ্রামের কালাকারীর ছেলে আহমদের মালিকানাধীন ঢাকার একটি ফার্নিচার দোকান থেকে ঈদের আগে মুর্শেদ কামালের ছেলে তোফাজ্জল (৩৫) কিছু টাকা নিয়ে যান। পরে ওই টাকা লেনদেনকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষের মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয়।
বিরোধ নিষ্পত্তির লক্ষ্যে মঙ্গলবার বিকেলে গ্রামে একটি সালিশ বৈঠকের আয়োজন করা হয়। সালিশ চলাকালে এক পক্ষ মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ শুরু করলে অপর পক্ষ এতে আপত্তি জানায়। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক ও বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে সংঘর্ষে রূপ নেয়।
সংঘর্ষে উভয় পক্ষের নারী-পুরুষসহ অন্তত ৪০ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে কয়েকজনকে মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। খবর পেয়ে মাধবপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চালায়। দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর রাত প্রায় ৯টার দিকে পুলিশ পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে সক্ষম হয়।
মাধবপুর থানার ওসি সোহেল রানা জানান, টাকা-পয়সা সংক্রান্ত পূর্ব বিরোধের জেরে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
আজকের সিলেট/ডি/এসটি
মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি 








