দিরাইয়ে অস্ত্রধারী-সেনাবাহিনীর গোলাগুলি, নিহত ১
সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ০৮:৪৪ PM

দিরাইয়ে অস্ত্রধারী-সেনাবাহিনীর গোলাগুলি, নিহত ১

দিরাই (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ২৩/০৬/২০২৫ ১০:২৯:৫৫ AM

দিরাইয়ে অস্ত্রধারী-সেনাবাহিনীর গোলাগুলি, নিহত ১


সুনামগঞ্জের দিরাইয়ে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার ও সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারে সেনাবাহিনীর অভিযানে অস্ত্রধারী ও সেনাবাহিনীর মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এতে আবু সাইদ (৩০) নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহত আবু সাইদ দিরাই উপজেলার কুলঞ্জ ইউনিয়নের তারাপাশা গ্রামের তাজ মিয়ার ছেলে। এ ঘটনায় আরও তিনজনকে আটক করেছে সেনাবাহিনী।

রোববার এ ঘটনা ঘটে। 

জানা গেছে, রোববার বিকাল ৫ টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার কুলঞ্জ ইউনিয়নের আকিলনগর, জারলিয়া, গাইদ্দালা গ্রামে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার ও সন্ত্রাসীদের ধরতে অভিযান চালায় সেনাবাহিনী। এসময় উভয় পক্ষের মধ্যে গুলি বিনিময়ের ঘটনা ঘটে এবং দুজনকে আটক করা হয়।  এসময় অন্যান্য অস্ত্রধারীরা পার্শ্ববর্তী জগন্নাথপুর উপজেলার গাইদ্দালা গ্রামে পালিয়ে আশ্রয় নেয়। পরবর্তীতে সেনাবাহিনী ওই গ্রামে গিয়ে অস্ত্রধারীদের ধরতে অভিযান চালিয়ে গ্রামটি ঘিরে রাখে । অভিযান চলাকালে অবৈধ অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী বাহিনী ও সেনাবাহিনীর মধ্যে গোলাগুলিতে আবু সাঈদ নামের এক যুবক গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলে মারা যান। এসময় সেনাবাহিনীর হাতে আরও তিনজন অস্ত্রধারী আটক হন বলে খবর পাওয়া গেছে। 

দিরাই থানার ওসি মোহাম্মদ আবদুর রাজ্জাক বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, অভিযানের বিষয়ে দিরাই থানা পুলিশ প্রশাসনকে অবগত করা হয়নি।

এর আগে গত ২০ জুন ইউনিয়নের হাতিয়া গ্রামে অস্ত্র উচিয়ে মহড়া দেওয়ার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয় এবং একটি হামলার ঘটনা ঘটে। বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরে আসে। এরই প্রেক্ষিতে সন্ত্রাসীদের ধরতে ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে সেনাবাহিনী অভিযান চালায়। 

হাতিয়া গ্রামের তকলিছ মিয়া বলেন, অবৈধ অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীরা যুবলীগ নেতা কুলঞ্জ ইউপি চেয়ারম্যান একরার হোসেনের লোক। একরার বাহিনী ও তার ছোট ভাই যুবদল নেতা বদরুল আজাদ রানা  দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় অস্ত্রের মহড়া দিয়ে ত্রাস সৃষ্টি করে হামলা মামলা চালিয়ে আসছে। কিছুদিন আগেও কয়েকবার র‌্যাব ও পুলিশের অভিযানে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী হামলার একাধিক মামলা রয়েছে।

আজকের সিলেট/ডি/এসটি

সিলেটজুড়ে


মহানগর