বিশ্বনাথ উপজেলায় সীমা বেগম (২৪) নামে এক তরুণীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত সীমা বেগম ওই গ্রামের ময়না মিয়ার মেয়ে। পরিবারের দাবি, তিনি দীর্ঘদিন ধরে মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন।
রোববার সকালে উপজেলার রামপাশা ইউনিয়নের শ্রীপুর গ্রাম থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়।
পারিবারিক ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শনিবার রাতে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পড়েন সীমা। রাত সাড়ে ৩টার দিকে তার মা ঘুম থেকে উঠে মেয়েকে ঘরে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে বসতঘরের পাশে নির্মাণাধীন একটি ঘরের বারান্দায় তার ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান পরিবারের সদস্যরা।
খবর পেয়ে বিশ্বনাথ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
নিহতের বড় ভাই লাহিন মিয়া বলেন, দীর্ঘদিন ধরে মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন সীমা। তাকে সুস্থ করে তুলতে বিভিন্ন ধরনের চিকিৎসা চলছিল। ঘটনার দিন সন্ধ্যাতেও তাকে চিকিৎসকের কাছে নেওয়া হয়েছিল। এ ঘটনায় কারও বিরুদ্ধে তাদের কোনো অভিযোগ নেই বলে জানান তিনি।
নিহতের ফুফাতো বোন ও স্থানীয় ইউপি সদস্য আঙ্গুরা বেগম বলেন, সীমা প্রায়ই মানসিক সমস্যার কারণে রাতের বেলায় ঘরের বাইরে চলে যেতেন। পরিবার সবসময় তাকে নজরে রাখার চেষ্টা করত। তিনি দাবি করেন, ঘটনাটি আত্মহত্যা বলেই তাদের ধারণা।
বিশ্বনাথ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মনোজ প্রভাকর রায় বলেন, প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যা বলে মনে হচ্ছে। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হতে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আজকের সিলেট/এপি









