বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ পেলে কে না খেলতে চায়? এই যেমন নেইমার কঠিন পরীক্ষা দিয়ে বিশ্বকাপ দলে ডাক পেয়ে কেঁদেই দিলেন। স্পেনের তারকা লামিনে ইয়ামাল ছোটবেলা থেকে বিশ্বকাপ খেলার স্বপ্ন দেখতেন। প্রথমবার বিশ্বমঞ্চে নামার দোরগোড়ায় ১৮ বছর বয়সী স্ট্রাইকার। ব্রাজিল-স্পেনের তারকাদের জন্যই যেখানে বিশ্বকাপে খেলা বহুল আকাঙ্ক্ষিত বিষয়, তখন তিউনিসিয়ার মতো একটি দলের খেলোয়াড়দের জন্য এই সুযোগ কত বড় হতে পারে! কিন্তু তাদের এক স্ট্রাইকারের বিষয়টি ভিন্ন। বাবার আপত্তির কারণে চূড়ান্ত স্কোয়াড থেকে বাদ দিতে হলো তাকে।
তিউনিসিয়ার ফুটবল আকাশের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র মনে করা হচ্ছিল লুয়ি বেন ফারহাতকে। কিন্তু পরিস্থিতি ভিন্ন দিকে যাচ্ছে। বিশ্বকাপের আগে কোচ লামুচির প্রাথমিক স্কোয়াডে নিয়মিত হয়ে উঠছিলেন ১৯ বছর বয়সী স্ট্রাইকার। বিশ্ব মঞ্চে নিশ্চিতভাবে মূল একাদশে থাকতে পারতেন। কিন্তু ২৬ জনের স্কোয়াড ঘোষণার দিন তার নামই উচ্চারণ করা হলো না!
তিউনিসিয়ার চূড়ান্ত স্কোয়াডে বেশ কিছু চমক ছিল, তবে সবচেয়ে বড় চমক বেন ফারহাতের অনুপস্থিতি। দল ঘোষণার পর সংবাদ সম্মেলনে কোচের উদ্দেশ্যে শুরুর দিকে প্রশ্ন ছিল তার না থাকা নিয়ে।
উত্তর ছিল বিস্ময়কর। কোচ বললেন, ‘আজ সকালে তার বাবার কাছ থেকে ফোন কল পেলাম। তিনি আমাকে বললেন, তাকে দলে ডাকা বড্ড তাড়াতাড়ি হয়ে গেছে। তাকে দলে রাখার সময় এখনও হয়নি, বিশ্বকাপে খেলাতে রাজি নন তিনি। কিছুক্ষণ পর আমি লুয়িকে কল করেছিলাম, সে ফোন ধরেনি। এটা ছিল অসম্মানজনক।’
বেন ফারহাতের ঘনিষ্ঠ সূত্র জানিয়েছে, এই স্ট্রাইকার ও তার পরিবারের ভয় যে বিশ্বকাপে ভালো পারফরম্যান্স করতে না পারলে তার বাজারমূল্য কমে যাবে এবং বড় বড় ক্লাবে তার জন্য দরজা বন্ধ হয়ে যাবে।
তবে তিউনিসিয়ার ধারণা, এই স্ট্রাইকার জার্মানিতে জন্মগ্রহণ করার কারণে ভবিষ্যতে জার্মান জাতীয় দলে ডাক পাওয়ার অপেক্ষা করছেন।
আজকের সিলেট/এপি
ক্রীড়া ডেস্ক 








