অনিন্দ্য সুন্দর ভূমি সিলেট। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমিও বলা হয় এই অঞ্চলকে। ছুটি পেলেই পর্যটকরা ছুটে আসেন সিলেটে। এবার বড়দিনের ছুটি ও সাপ্তাহিক ছুটিতেও এর ব্যত্যয় ঘটেনি। ইতোমধ্যে মহানগরের প্রায় সবকটি হোটেল পর্যটকে পরিপূর্ণ হয়ে গেছে। বড়দিন উপলক্ষে সরকারি চাকরিজীবীরা ঢানা চারদিনের ছুটি পাচ্ছেন। এক্ষেত্রে বৃহস্পতিবার ‘ছুটি ম্যানেজ’ করতে হচ্ছে চাকরিজীবীদের। আর এই চারদিনকে আন্দনমুখর করে তুলতে সিলেটের পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে ভিড় করেছেন পর্যটকরা।
২৫ ডিসেম্বর খ্রিষ্ট ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় উৎসব বড়দিনের সরকারি ছুটি। একদিন পর ২৭ ও ২৯ ডিসেম্বর শুক্রবার ও শনিবার হওয়ায় এই দুই দিন সাপ্তাহিক ছুটি। অনেকেই সরকারি চাকরিজীবী ও ব্যাংক কর্মীরা বৃহস্পতিবার ছুটি নিয়ে টানা চারদিন ছুটি ভোগ করছেন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সিলেটের অন্যতম হযরত শাহজালাল-শাহপরাণ (র.) মাজার, চা বাগান, জাফলং, রাতারগুল জলাবন, হাকালুকি হাওর, লালাখাল, ভোলাগঞ্জ, বিছনাকান্দি পর্যটকমুখর রয়েছে। অপরূপ এই সৌন্দর্য উপভোগ করতে পর্যটকরা বুধবার সকাল থেকে উপচে পড়া ভিড় ছিলো।
সিলেট দরগাহ গেটের হোটেল হলি ইনের বুকিং ম্যানেজার জেনারুল ইসলাম বলেন, আমাদের হোটেলের সবগুলো কক্ষই আগামী তিন-চার দিন বুকিং রয়েছে। বড়দিনের ছুটির সঙ্গে সাপ্তাহিক ছুটির কারণে পর্যটক বেড়েছে। একই চিত্র সিলেট মহানগরের অন্যান্য হোটেল-মোটেল।
এদিকে সিলেটের ট্যুর অপারেটর ও ট্রাভেল ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, ছুটির এই কয়েকদিনে সাদাপাথর,জাফলং ও বিছানাকান্দিতে অন্তত লক্ষাধিক পর্যটকের সমাগম হবে। ইতোমধ্যে অনেকেই সিলেটে এসে অবস্থান করছেন এবং আগামীকাল বৃহস্পতিবার এই সংখ্যা কয়েকগুণ বাড়বে।
সিলেট ট্যুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতি) মোল্লা মোহাম্মদ শাহীন বলেন, ট্যুরিস্টদের সেবাদানে আমরা সবসময় প্রস্তুত রয়েছি। তাদের সার্বিক নিরাপত্তা দিতে আমাদের ইউনিটগুলো কাজ করছে। সিলেটের সব স্পটে বাড়তি ট্যুরিস্ট পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পর্যটকদের নিরাপত্তার কোনো কমতি নেই।
আজকের সিলেট/এসটি









