দীর্ঘ প্রায় তিন দশক ধরে বাংলা চলচ্চিত্রে রোমান্টিক ও ‘মিষ্টি মেয়ের’ ইমেজে দর্শকদের হৃদয় জয় করেছেন চিত্রনায়িকা দিলারা হানিফ পূর্ণিমা। তবে সেই পরিচিত গণ্ডি ভেঙে এবার সম্পূর্ণ ভিন্ন এক রূপে পর্দায় হাজির হওয়ার ইচ্ছার কথা জানালেন তিনি।
গেল ১১ জুলাই জন্মদিন একটি অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে পূর্ণিমা জানান, ক্যারিয়ারে বহু ধরনের চরিত্রে অভিনয় করলেও কখনো খলনায়িকা হওয়ার সুযোগ পাননি। আর এখন সেই অপূর্ণ ইচ্ছাটিই পূরণ করতে চান তিনি।
পূর্ণিমার ভাষায়, ‘আমার খুব ইচ্ছা খলনায়িকা বা ভিলেন টাইপ চরিত্রে অভিনয় করার। এমন একটি চরিত্র করতে চাই, যাকে দেখে দর্শকের মনে তীব্র ঘৃণা তৈরি হবে। একজন অভিনেত্রী হিসেবে নিজেকে নতুনভাবে প্রমাণ করার সুযোগ থাকবে সেখানে।’
অভিনেত্রীর মতে, তার কোমল ও পরিচ্ছন্ন পর্দার ইমেজই হয়তো এতদিন নেতিবাচক চরিত্র থেকে দূরে রেখেছে। তিনি বলেন, ‘আমাকে নিয়ে হয়তো কেউ কখনো সেভাবে ভাবেননি। সবাই মনে করেন, আমার চেহারার সঙ্গে নেতিবাচক চরিত্র মানাবে না। দর্শকও আমাকে রোমান্টিক বা সফট চরিত্রেই দেখতে অভ্যস্ত। কিন্তু আমি চাই এবার এর সম্পূর্ণ বিপরীত কিছু করতে।’
১৯৯৮ সালে জাকির হোসেন রাজুর ‘এ জীবন তোমার আমার’ সিনেমার মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক ঘটে পূর্ণিমার। প্রথম সিনেমাতেই রোমান্টিক নায়িকা হিসেবে দর্শকের নজর কাড়েন তিনি। এরপর একের পর এক ব্যবসাসফল সিনেমায় অভিনয় করে ঢালিউডের শীর্ষ নায়িকাদের একজন হিসেবে নিজের অবস্থান শক্ত করেন।
তবে গত কয়েক বছরে অভিনয়ে অনেকটাই অনিয়মিত হয়ে পড়েছেন এই অভিনেত্রী। মাঝে মধ্যে টেলিভিশনের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে উপস্থাপক কিংবা রিয়েলিটি শোর বিচারকের আসনে দেখা গেলেও নতুন সিনেমায় তার উপস্থিতি খুবই কম।
সবশেষ ২০২৪ সালের ঈদুল ফিতরে মুক্তি পাওয়া ছটকু আহমেদের ‘আহারে জীবন’ সিনেমায় অভিনয় করেন পূর্ণিমা। এর আগে ২০২৩ সালে কাজল আরেফিন অমির ওয়েব সিরিজ ‘হোটেল রিলাক্স’-এর মাধ্যমে ওটিটি প্ল্যাটফর্মে অভিষেক হলেও এরপর আর নতুন কোনো ওয়েব প্রজেক্টেও দেখা যায়নি তাকে।
আজকের সিলেট/ডি/এসটি
বিনোদন ডেস্ক 








