আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি যেভাবে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হয়ে উঠলেন
রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:৩৬ PM

আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি যেভাবে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হয়ে উঠলেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ০১/০৩/২০২৬ ০২:৪০:৪৬ PM

আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি যেভাবে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হয়ে উঠলেন


তিন দশকেরও বেশী সময় ধরে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্ব পালনের পর শনিবার আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলের হামলায় নিহত হয়েছেন।

বিশ্বের অন্য অনেক দেশের তুলনায় ইরানের শাসন পদ্ধতি বেশ আলাদা। সেখানে নির্বাচনের মাধ্যমে প্রেসিডেন্ট বা সংসদ সদস্যরা নির্বাচিত হলেও দেশের মূল ক্ষমতা থাকে সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতার হাতে।

সাম্প্রতিক বছরগুলােতে ইরান-ইসরায়েল সংঘাতের সময় আশঙ্কা ছড়িয়ে পড়েছিল যে, আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে হত্যার চেষ্টা করা হতে পারে।

এমনকি দেশটির অন্য কােন নেতা নন, আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিই কেন আমেরিকা বা ইসরায়েলের টার্গেটে সেই প্রশ্নও বহু বছর ধরে আলােচনায় আছে।

ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতার শাসনের এই ব্যবস্থা চালু হয় ১৯৭৯ সালে ইসলামি বিপ্লবের পর থেকে। একটি বিপ্লবের মাধ্যমে ইরানে রেজা শাহ পাহলভীর রাজতন্ত্রকে উৎখাত করা হয়। তাকে উৎখাতের পর ইরানে ধর্মীয় প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়।

এরপর দেশটি দুজন সুপ্রিম লিডার বা সর্বোচ্চ নেতা পেয়েছে। তাদের পদবী হিসেবে আয়াতুল্লাহ ব্যবহার করা হয়, শিয়া ধর্মাবলম্বীদের কাছে যার অর্থ সিনিয়র ধর্মীয় নেতা।

সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি দেশটির সামরিক বাহিনীর কমান্ডার-ইন-চীফ ছিলেন।

এছাড়া দেশের সব বড় বা গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে তার সম্মতি দরকার হত। এমনকি ইরান পারমাণবিক ক্ষমতার অধিকারী হবে কিনা অথবা জাতিসংঘের আণবিক শক্তি সংস্থাকে সহযোগিতা করবে কিনা, এসবের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তও তিনি দিতেন। 

আজকের সিলেট/এপি

সিলেটজুড়ে


মহানগর