সড়কে যানবাহন চলাচলে অব্যবস্থাপনা ও বিশৃঙ্খলাসহ কয়েকটি কারণে সিলেটের বিশ্বনাথ পৌরশহরে তীব্র যানজট হচ্ছে। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত শহরের বিভিন্ন স্থানে যানযটের কারণে ভোগান্তি পোহাচ্ছে পৌর শহরের হাজার হাজার মানুষ।
স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে,পৌর প্রবেশ মাত্রই তিনটি প্রবেশদ্বার রয়েছে,সিলেট টু জগন্নাথপুর ও সিলেট টু লামা টুকের বাজার চালিত বাস,সিএনজি চালিত অটোরিকসা, ব্যাটারি চালিত টমটম, মিশুক, টেম্পুর অস্থায়ী স্ট্যান্ড বসিয়ে যাত্রী ওঠানামা করানো, ফুটপাত বেদখল, অধিকাংশ বিপণি-বিতান ও ব্যাংক বীমা অফিসের সামনে পার্কিংয়ের ব্যবস্থা না থাকা এবং শহরের সরু রাস্তা দিয়ে ১০ চাকার ড্রাম ট্রাক চলাচল- এ চার কারণে পৌরশহরের বিভিন্ন রাস্তায় প্রতিদিনই যানযট হচ্ছে। এতে ঘর থেকে বেরোলেই পৌরবাসীকে পড়তে হচ্ছে ভোগান্তিতে।
রবিবার সকালে শহরের মধ্য বাজারে কথা হয় বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা কামরুল হাসান এর সঙ্গে। তিনি মোটরসাইকেল নিয়ে বৈরাগী বাজার থেকে সিলেট যাচ্ছিলেন। এরই মধ্যে মধ্য পৌর শহরে ঢুকেই বাসিয়া ব্রিজের মুখে যানযটের স্বীকার হয়েছেন।
বাজার গোল চত্বর ও সড়কের সতং রাস্তার মাথায় দুই দফা যানজটের কবলে পড়েছেন। ক্ষোভ নিয়ে এক রিকশা চালক রমিজ মিয়া বলেন, রিকসা নিয়ে শহরে প্রবেশ করলে বাস ও ট্রাকের যন্ত্রনায় রিকশা চালাতে পারিনা।
পৌর শহরের ফুটপাত দখল ও সিএনজি বাস দাঁড় করিয়ে যাত্রী ওঠানামা করানো যানযটের মূল কারণ। সড়ক দখল করে সবজির দোকান, খাবারের দোকান, কাপড়ের দোকানসহ নানা ধরনের দোকান বসিয়ে যানযটের সৃষ্টি করছেন।
এদিকে এ নিয়ে একাধিকবার উপজেলা পরিষদের আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় কথাটি উপস্থাপন করে আসছেন বিশ্বনাথের সাংবাদিক,জনপ্রতিনিধি ও সুধী জনেরা,বিষয়টি সম্পর্কে পৌর প্রশাসক আলাউদ্দিন কাদের বলেন,পৌর সভার পক্ষ থেকে ট্রাফিক কর্মী দেওয়ার কোনো সিস্টেম নেই। তিনি জানান,তারপর চেষ্টা করবেন। তবে ইদানীং তীব্র যানযট সৃষ্টি হওয়ায় থানা পুলিশের পক্ষ থেকে ট্রাফিক পুলিশরা উপস্থিত হয়ে যানযট নিরসনে কাজ করতে লক্ষ্য করা যায়।
আজকের সিলেট/মিমো/ প্রতিনিধি
বিশ্বনাথ প্রতিনিধি 








