হাড় কাঁপানো মাঘের শীতে থেমে নেই বোরো ধান রোপনের কাজ। কনকনে ঠান্ডায় বোরো ধান রোপনে ব্যস্থ কৃষক। তবে পানি সংকটের কারণে বোরো আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ব্যহত হবে, বোরো ধান উৎপাদন নির্ভর কৃষকরা খাদ্য ঘাটতিতে পড়বেন। খাদ্য ঘাটতি মোকাবেলায় চেষ্টা অব্যহত রাখবেন এমন প্রতিজ্ঞা বোরো চাষিদের কণ্ঠে।
বিশ্বনাথ উপজেলার ৮ টি ইউনিয়নের বিভিন্ন হাওরে কম-বেশি বোরোধান আবাদ হয়। এবছর বোরো মৌসুম শুরুর প্রথম থেকে বৃষ্টি না হওয়ায় পানির সংকট দেখা দিয়েছে। খাল-বিলে পর্যাপ্ত পানি নেই। পানি সংকটের কারণে চাষের জমি অনাবাদি পড়ে রয়েছে এমন চিত্র দেখা গেছে বিভিন্ন হাওর ঘুরে। আবাদ কম হওয়ায় উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন ব্যহত হওয়ার পাশাপাশি ধান উৎপাদনে নির্ভর কৃষকরা খাদ্য ঘাটতিতে পড়বেন এমন কথা জানিয়েছেন কৃষকেরা।
এপর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন হাওরে লক্ষ্যমাত্রার ৯০ ভাগ বোরো আবাদ হয়েছে যা পুরো মৌসুমে শতভাগ সম্ভব হবে না। চলমান অর্থবছরে ৬৫১০ হেক্টর জমিতে বোরো ধান রোপন সম্ভব হয়েছে। যা লক্ষ্যমাত্রার ৯০%। কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় ১১০০ শত জন কষককে ২ কেজি করে হাইব্রিড ধানের বীজ প্রদান করা হয়েছে এবং ৩২০০শত কৃষককে ৫ কেজি উফশী ধানের বীজ, ১০ কেজি ডিএপি সার, ১০ কেজি এম ও পি সার সহায়তা প্রদান করেছে কৃষি দপ্তর।
বোরোধানের প্রধান রোগ ব্লাস্ট একটি মারাত্মক রোগ। এ বিষয়ে সতর্ক, সার ব্যবস্থাপনা, ধানের পরিচর্যায় কৃষক যেমন করে উপকৃত হয় এমন ধরনের সকল কৃষি পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছে বিশ্বনাথ উপজেলা কৃষি অফিস, জানান কৃষি কর্মকর্তা।
বিশ্বনাথ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কনক চন্দ্র রায় আরো জানান, যদিও রোপনকালীন সময়ে চলমান অর্থবছরে পানির অপর্যাপ্ততা রয়েছে তবুও লক্ষমাত্রা অর্জন সম্ভব হবে বলে আশা করছি। বোরো ধানের প্রধান রোগ ব্লাস্ট রোগ বিষয়ে কৃষি বিভাগ সতর্ক রয়েছে এবং কৃষকদের সকল প্রকার পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছে।
আজকের সিলেট/ডি/এসটি
সংবাদদাতা 








