বাংলাদেশের সাইবার নিরাপত্তা খাতে এক উদীয়মান নাম হিসেবে পরিচিত হয়ে উঠেছেন সিলেটের সন্তান জুমান খান। ছোটবেলা থেকেই প্রযুক্তির প্রতি গভীর আগ্রহ তাকে আজ নিয়ে এসেছে ডিফেন্সিভ সিকিউরিটি এক্সপার্ট ও সোশ্যাল মিডিয়া রিকভার স্পেশালিস্টের মর্যাদায়।
২০২৩ সাল থেকে তিনি বাংলাদেশ সিভিলিয়ান ফোর্সের সঙ্গে যুক্ত হয়ে কাজ করে আসছেন। বর্তমানে তিনি মূলত রিকভারি সেক্টরে কাজ করছেন, যেখানে তার প্রধান লক্ষ্য হ্যাক হয়ে যাওয়া সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম পুনরুদ্ধার করা।
তার দক্ষ হাতে পুনরুদ্ধার হয়েছে বাংলাদেশের বহু বড় ও গুরুত্বপূর্ণ সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম। বিশেষ করে ইসলামিক চ্যানেলের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে আলী হাসান ওসামা হুজুর এর পেইজ ও বাংলাদেশ এর ক্রীড়া মন্ত্রী আমিনুল ইসলামের পেইজ রিকোভার এছাড়াও অসংখ্য হ্যাকড ইউটিউব চ্যানেল ও ফেসবুক পেজ তিনি পুনরুদ্ধার করেছেন, যেগুলো অনেকের কাছে হারিয়ে যাওয়া মনে হয়েছিল।
আরো বিস্তৃতভাবে বলতে গেলে, জুমান দুবাইয়ের আভিজাত্যপূর্ণ জীবন যাপনের জন্য পরিচিত তরুণ ইনফ্লুয়েন্সার, ‘Rashed Belhasa’—যিনি “Money Kicks” নামেও পরিচিত—তার ফেসবুক পেইজও তিনি উদ্ধার করেছিলেন। Rashed জনকেন্দ্রিক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের বিশাল শ্রোতা ও অনুগামী থাকা সত্ত্বেও, যখন তার পেইজ হ্যাকড হয়, তখন জুমানের দক্ষতা সেই প্রভাবশালী প্ল্যাটফর্ম ফিরে এনে তার ডিজিটাল উপস্থিতিকে রক্ষা করেছে।
শুধু দেশেই নয়, বিদেশি মালিকানাধীন বহু সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মও তার দক্ষ হাতে পুনরুদ্ধার হয়েছে। এর মাধ্যমে তিনি আন্তর্জাতিক পরিসরে বাংলাদেশের সাইবার নিরাপত্তা সক্ষমতার একটি ইতিবাচক ভাবমূর্তি গড়ে তুলেছেন।
জুমান খান শুধু উদ্ধার কার্যক্রমেই সীমাবদ্ধ নন। তিনি ডিজিটাল নিরাপত্তা ও সাইবার সচেতনতা বৃদ্ধিতেও সমানভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। তার যাত্রা প্রমাণ করে—একাগ্রতা, দক্ষতা এবং সততার মাধ্যমে বাংলাদেশও বৈশ্বিক সাইবার নিরাপত্তার মানচিত্রে শক্ত অবস্থান নিতে পারে।
আজকের সিলেট/এপি
আজকের সিলেট ডেস্ক 








