বাংলাদেশের ম্যাচ মানেই গ্যালারিতে উচ্ছ্বাস। চার-ছক্কা কিংবা বোলারদের দাপটে গ্যালারিতে নাচন ওঠে। কিন্তু গত কয়েক সিরিজ ধরেই গ্যালারি খাঁ খাঁ করছিল। দর্শকরা যেন মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিলেন বাংলাদেশের ক্রিকেট থেকে। মাঠের বাইরের নানা আলোচনায় দর্শকরা ছিলেন বিরক্ত। তামিম ইকবাল দায়িত্ব নেওয়ার পর দর্শকদের কথা চিন্তা করে নানামুখী উদ্যোগ নিয়েছেন।
এমন উদ্যোগের কারণে হোক কিংবা ভিন্ন কারণে, শনিবার শেষ ম্যাচে স্টেডিয়ামের বেশিরভাগ আসনই ভরা ছিল।
নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ জিতেছিল বাংলাদেশ। ঢাকা ও চট্টগ্রাম দুই ভেন্যুতেই দর্শক খরা কেটেছে। চট্টগ্রামে ওয়ানডে সিরিজ শেষে কুড়ি ওভারের ম্যাচেও একই অবস্থা। প্রথম ম্যাচে কিউইদের উড়িয়ে দিয়ে দাপটের সঙ্গে ম্যাচ জিতলেও দর্শক খরাতেই ম্যাচ শেষ হয়েছে। দ্বিতীয় ম্যাচে বৃষ্টিতে ভেসে যাওয়া ম্যাচেও খুব বেশি দর্শক হয়নি। এর আগে পাকিস্তান ও আয়ারল্যান্ড সিরিজেও একই অবস্থা দেখা গেছে।
কিন্তু সবকিছু ছাপিয়ে গেছে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে শেষ টি-টোয়েন্টি ম্যাচে। প্রায় ১৮ হাজার দর্শক শনিবার ম্যাচ দেখেছেন। যদিও হতাশা নিয়ে ফিরতে হয়েছে। কিউইদের বিপক্ষে শেষ ২৫ বলে বাংলাদেশ হারিয়েছে ৬ উইকেট। তাতে করে সংগ্রহ দাঁড় করাতে পেরেছে মাত্র ১০২ রান। এমন ব্যাটিং ব্যর্থতার পর স্বাভাবিকভাবেই হারতে হয়েছে স্বাগতিকদের। দর্শকদেরও ফিরতে হয়েছে মন খারাপ করে।
দীর্ঘদিন পর গ্যালারি ভর্তি দর্শক দেখে আবেগী হয়ে উঠলেন লিটন দাস। সামনের ম্যাচের জন্য কথাও দিয়ে রাখছেন টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক, অনেকদিন পর ভালো লাগছে, মাঠটা অনেক… আপনারা আসছেন। সবাইকে অনেক অনেক ধন্যবাদ। আশা করি পরেরবার যখন আসবেন, সাপোর্ট করবেন আমাদের। আমরা আপনাদের হাসিমুখে বাসায় বিদায় দিতে পারব। ধন্যবাদ আবারও।
সংবাদ সম্মেলনেও এলো দর্শক প্রসঙ্গ। লিটন বলেন, আমি সত্যি কথা খুবই হ্যাপি। মনে হয়েছে যে আবার আমাদের দর্শকরা আমাদের সাপোর্ট করছে। দেখেন, হোম ক্রাউডে সাপোর্ট করলে একটা আলাদা বেনিফিট থাকেই। আমি আশা করব যে দর্শকরা আবার আসবেন। কারণ দর্শক ক্রিকেটের প্রাণ। তারা যদি আমাদের সাপোর্ট করেন, আমাদের খেলাটা সহজ হয়ে যায়।
আজকের সিলেট/ডি/এসটি
ক্রীড়া ডেস্ক 








