সুনামগঞ্জ সদরে একটি জুতা নিক্ষেপের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। নিহত ব্যক্তির নাম গোলাম কিবরিয়া ওরফে তারা মিয়া (৫৫)। তিনি সদর উপজেলার মইনপুর গ্রামের বাসিন্দা।
সোমবার বিকেলে উপজেলার সুরমা ইউনিয়নের মইনপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও নিহতের পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, নিহতের ছোট ভাই রুমান মিয়া বাইসাইকেলে করে কর্মস্থলে পাওনা টাকা আনতে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে আজিজুলের ছেলে ছালিহ আহমদ হঠাৎ পেছন থেকে তাকে লক্ষ্য করে একটি জুতা নিক্ষেপ করেন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুজনের মধ্যে কথা-কাটাকাটি শুরু হয় এবং মুহূর্তেই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে গোলাম কিবরিয়া (তারা) মিয়া ঘটনাস্থলে পৌঁছালে পরিস্থিতি আরও অবনতি ঘটে।
নিহতের পরিবারের অভিযোগ, পূর্বের বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের ৫–৭ জন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে তাদের ওপর হামলা চালায়। এলোপাথাড়ি কিল-ঘুষি ও মারধরে তারা মিয়া গুরুতর আহত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।
স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেটে রেফার করেন। তবে সিলেটে নেওয়ার পথেই অ্যাম্বুলেন্সে তার মৃত্যু হয়।
নিহতের ভাই রুমান মিয়া অভিযোগ করে বলেন, প্রতিপক্ষের সাথে আমাদের দীর্ঘদিনের পারিবারিক বিরোধ ছিল। সেই আক্রোশ থেকেই পরিকল্পিতভাবে আমার ওপর জুতা নিক্ষেপ করা হয় এবং পরে আমার ভাইসহ আমাদের ওপর হামলা চালানো হয়। আমরা এই হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচার চাই।
এ ব্যাপারে কথা বলতে অভিযুক্ত সালিহ আহমেদের সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
এ বিষয়ে সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) আরিফ উল্লাহ বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এখন পর্যন্ত পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
আজকের সিলেট/এপি/প্রতিনিধি
সংবাদদাতা 








