মৌলভীবাজারে সময় যত যাচ্ছে হামের লক্ষণ নিয়ে বিভিন্ন হাসপাতালে রোগীর সংখ্যাও বৃদ্ধি পেয়েছে। জেলা সদর হাসপাতালে ১৩ জন আইসোলেশনে আছেন। এছাড়া কয়েকদিনে ৩০ জন চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি গেছেন। একদিকে টিকা নেই, অন্যদিকে হাম পজিটিভ রোগীর সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় চারদিকে অস্বস্তি বেড়েই চলেছে।
জেলা সিভিল সার্জন সূত্রে জানায়, সদর হাসপাতালে ২০ বেডের আইসোলেশন সেন্টার চালু করা হয়েছে। এছাড়া প্রতিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৫ বেডের আইসোলেশন সেন্টার চালু করা হচ্ছে। সন্দেহজনক হামের লক্ষণ নিয়ে ১০০ জন আসেন। তাদের পরীক্ষা করার পর ১০ জনের পজিটিভ পাওয়া যায়। এছাড়া মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে ১৩ জন আইসোলেশন সেন্টারে ভর্তি রয়েছেন।
মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালের আবাসিক কর্মকর্তা ডা. আহমেদ ফয়সল জামান জানান, হাসপাতাল থেকে ৩০ জন ভর্তি রোগী চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি গেছেন। এখন ১৩ জন রোগী আইসোলেশন সেন্টারে ভর্তি আছেন।
মৌলভীবাজারের সিভিল সার্জন ডা. মো. মামুনুর রহমান বলেন, জেলার বিভিন্ন উপজেলা হাসপাতালে সন্দেহভাজন ১০০ জন রোগী হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন। সদর হাসপাতালে ২০ বেডের আইসোলেশন সেন্টার চালু করা হয়েছে। প্রয়োজনে এর সংখ্যা বৃদ্ধি করা হবে। সদর হাসপাতালে ১৩ জন রোগী আইসোলেশনে আছেন। অনেকের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। ঢাকা থেকে রিপোর্ট আসতে একটু বিলম্ব হয়। প্রতিদিন হামের লক্ষণ নিয়ে অনেকে আসছেন। এছাড়া যেসব বাচ্চাদের হামের লক্ষণ পাওয়া যায়, তাদের আলাদা করে আইসোলেশন করা হয়।
আজকের সিলেট/এপি









