সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলায় কলাগাছ পড়ে যাওয়াকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলায় নারী ও বৃদ্ধসহ পাঁচজন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে একজন বৃদ্ধের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।
রোববার দুপুরে উপজেলার রানীগঞ্জ ইউনিয়নের গন্ধর্ব্বপুর (আলী নগর) গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন—মৃত সুনা উল্লাহর ছেলে আব্দুল গফুর, ওয়াব উল্লাহর মেয়ে আলেয়া বেগম, আব্দুল গফুরের মেয়ে রুবেনা বেগম, জুমা বেগম ও কুশবা বেগম। আহতদের প্রথমে জগন্নাথপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদের সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গন্ধর্ব্বপুর (আলী নগর) গ্রামের আব্দুল গফুরের একটি কলাগাছ ঝড়ের কারণে পাশের জমিতে পড়ে যায়। ওই জমি দেখভালের দায়িত্বে থাকা বাবুল মিয়ার পক্ষের লোকজন এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে আব্দুল গফুরের বাড়িতে প্রবেশ করে হামলা চালায়। সে সময় বাড়িতে কোনো পুরুষ সদস্য না থাকায় চারজন নারীসহ পাঁচজনকে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়।
আব্দুল গফুরের বড় মেয়ে রুনা বেগম অভিযোগ করে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে বাবুল মিয়ার লোকজন তাদের পরিবারের ওপর নানা ধরনের চাপ সৃষ্টি করে আসছিল। রোববার দুপুরে কলাগাছ জমিতে পড়ে যাওয়াকে কেন্দ্র করে তারা বসতঘরে ঢুকে তার বাবা, মা ও বোনদের ওপর হামলা চালায়।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, হামলাকারীরা ঘরে থাকা প্রায় ৫ ভরি স্বর্ণালংকার ও নগদ প্রায় ২ লাখ টাকা লুট করে নিয়ে গেছে। হামলার সময় তার বাবার মাথায় রামদা দিয়ে আঘাত করা হয়। বাড়িতে কোনো ভাই না থাকায় এই সুযোগে হামলাকারীরা এ ঘটনা ঘটিয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। এ ঘটনার বিচার দাবি করেন তিনি।
রুনা বেগম জানান, তিনি বাদী হয়ে জগন্নাথপুর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত বাবুল মিয়ার লোকজনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের মুঠোফোনে পাওয়া যায়নি।
জগন্নাথপুর থানার ওসি মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, মারামারির ঘটনায় এখনও কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আজকের সিলেট/এপি
নিউজ ডেস্ক 








