জনগণের প্রশংসায় ভাসছেন তারেক রহমান
রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৫৫ PM

জনগণের প্রশংসায় ভাসছেন তারেক রহমান

আজকের সিলেট ডেস্ক

প্রকাশিত: ১০/০৩/২০২৬ ১১:০৪:১৫ AM

জনগণের প্রশংসায় ভাসছেন তারেক রহমান


দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই রাষ্ট্র পরিচালনায় ব্যতিক্রমী সব উদ্যোগ নিয়ে আলোচনায় এসেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। গতানুগতিক ধারার বাইরে গিয়ে জনকল্যাণমুখী ও সাহসী কিছু পদক্ষেপ নেওয়ায় সর্বমহলে প্রশংসিত হচ্ছে তার সরকার। বিশেষ করে নির্বাচনী ইশতেহারে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন এবং প্রশাসনিক ব্যয় সংকোচনে তার কঠোর অবস্থান সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরিয়েছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও সাধারণ মানুষের মতে, প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক পদক্ষেপ ও কঠোর নির্দেশনা জনজীবনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। একই সঙ্গে আরও বেশ কিছু জনগুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের পথে রয়েছে। সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা, প্রধানমন্ত্রীর এই ইতিবাচক ও জনমুখী কর্মকাণ্ড অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশ দ্রুতই একটি কল্যাণমূলক রাষ্ট্রে পরিণত হবে।

ফ্যামিলি কার্ড চালু
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারের অন্যতম প্রধান অঙ্গীকার এবং জনকল্যাণমুখী পদক্ষেপ হলো ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও মূল্যস্ফীতির প্রভাবে যখন সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা চ্যালেঞ্জের মুখে, তখন তাদের স্বস্তি দিতে এই কার্ড একটি কার্যকর ‘নিরাপত্তা বেষ্টনী’ হিসেবে কাজ করবে।

মঙ্গলবার থেকে দেশজুড়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এই কার্যক্রম চালু হয়েছে। এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য হলো নিম্নবিত্ত, দরিদ্র এবং নির্দিষ্ট আয়ের নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোর খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

এই কার্ডের আওতায় তালিকাভুক্ত পরিবারগুলো খোলা বাজারের তুলনায় অনেক কম মূল্যে (ভর্তুকি দিয়ে) নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কিনতে পারবে। পণ্যের তালিকায় রয়েছে চাল, ডাল, সয়াবিন তেল, চিনি এবং পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে ছোলা ও খেজুরের মতো পণ্য।

অতীতে ত্রাণ বা টিসিবির পণ্য বিতরণে যেসব অনিয়ম ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগ উঠত, তা রোধে এবার কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্যের ভিত্তিতে একটি ডিজিটাল ডাটাবেজ তৈরি করা হয়েছে। ‘স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ডে’ কিউআর কোড যুক্ত থাকবে, যাতে এক পরিবার একাধিকবার পণ্য তুলতে না পারে এবং প্রকৃত সুবিধাবঞ্চিতরাই সহায়তা পায়।

সরকারের মতে, ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে বিপুল সংখ্যক মানুষকে ন্যায্যমূল্যে পণ্য দেওয়া হলে খোলা বাজারে চাহিদার চাপ কমবে। ফলে অসাধু ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট কৃত্রিম সংকট তৈরি করে দাম বাড়ানোর সুযোগ পাবে না।

গ্রাম থেকে শহর—সব এলাকার প্রান্তিক মানুষকে এই সুবিধার আওতায় আনা হচ্ছে। ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) এবং সরকারের নির্ধারিত ডিলার পয়েন্ট থেকে কার্ডধারীরা পণ্য সংগ্রহ করতে পারবেন।

অর্থনীতিবিদ ও সাধারণ মানুষের মতে, প্রধানমন্ত্রীর এই ফ্যামিলি কার্ড উদ্যোগটি কেবল একটি কার্ড নয়; বরং এটি অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলায় সরকারের সদিচ্ছার প্রতিফলন। এটি সঠিকভাবে বাস্তবায়িত হলে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমানে বড় ধরনের ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।

কৃষক কার্ড ও কৃষি সহায়তা
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকারের কৃষিবান্ধব নীতির আওতায় ‘কৃষক কার্ড’ ও কৃষি সহায়তা কার্যক্রম একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। দেশের অর্থনীতির মেরুদণ্ড কৃষি খাতকে শক্তিশালী করা এবং প্রকৃত কৃষকদের রাষ্ট্রীয় সুবিধার আওতায় আনতেই এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। নির্বাচনী ইশতেহারের অন্যতম প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের ফলে গ্রামবাংলার কৃষকদের মাঝে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে।

অতীতে সরকারি সার, বীজ বা অনুদান বিতরণে প্রায়ই অনিয়ম এবং মধ্যস্বত্বভোগীদের হস্তক্ষেপ দেখা যেত। ‘স্মার্ট কৃষক কার্ড’ চালুর ফলে এখন প্রকৃত কৃষকদের একটি ডিজিটাল ডাটাবেজ তৈরি করা হয়েছে। ফলে সরকারের দেওয়া ভর্তুকি বা সহায়তা সরাসরি কৃষকের হাতে পৌঁছাচ্ছে।

এই কার্ডের সঙ্গে কৃষকের ব্যাংক হিসাব বা মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্ট যুক্ত করা হয়েছে। ফলে সার, ডিজেল বা বিদ্যুতের জন্য সরকার যে ভর্তুকি প্রদান করে, তা সরাসরি কৃষকের অ্যাকাউন্টে জমা হচ্ছে। এতে কৃষকের উৎপাদন খরচ উল্লেখযোগ্য হারে কমছে।

কৃষক কার্ড প্রদর্শন করে কৃষকরা এখন সরকারি ডিলারদের কাছ থেকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ন্যায্যমূল্যে সার ও বীজ কিনতে পারছেন। পাশাপাশি জামানতবিহীন কৃষি ঋণ বা স্বল্প সুদের ঋণ পাওয়ার ক্ষেত্রেও এই কার্ডটি নির্ভরযোগ্য দলিল হিসেবে কাজ করছে।

বন্যা, খরা বা প্রাকৃতিক দুর্যোগে ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হলে এই কার্ডের তথ্যের ভিত্তিতে দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা তৈরি করে সহায়তা পৌঁছে দেওয়া সহজ হয়েছে। সরকারের এই উদ্যোগের ফলে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি কৃষকদের মধ্যে পেশাগত আগ্রহও বাড়ছে। খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিতে এটি দেশের কৃষি ব্যবস্থাপনায় একটি ‘গেম চেঞ্জার’ হিসেবে ভূমিকা রাখছে।

১০ হাজার টাকার কৃষি ঋণ মওকুফ
প্রান্তিক কৃষকদের দুর্দশা লাঘবে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ মওকুফের ঘোষণা দিয়েছে সরকার। এটি ছিল ক্ষমতাসীন দলের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি। বন্যা বা প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের জন্য এই সিদ্ধান্তটি বড় স্বস্তি এনে দিয়েছে। এতে কৃষি উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা কমেছে।

শনিবারও অফিস করছেন প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রশাসনিক সংস্কার ও কর্মতৎপরতার অন্যতম উদাহরণ হয়ে দাঁড়িয়েছে সাপ্তাহিক ছুটির দিন শনিবারেও অফিস করার সিদ্ধান্ত।

বাংলাদেশে সরকারি দপ্তরে সাধারণত শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি থাকে। কিন্তু উন্নয়ন কার্যক্রমকে ত্বরান্বিত করতে এবং প্রশাসনিক কাজে গতি আনতে প্রধানমন্ত্রী নিজেই এই প্রথা ভেঙে নিয়মিত সময় দিচ্ছেন। এতে প্রশাসনিক দীর্ঘসূত্রতা কমছে।

শনিবার তিনি সাধারণত বড় উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যালোচনা করেন। অনেক সময় ছুটির দিনেই বিভিন্ন প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করেন। এতে ঠিকাদার ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা কাজের গুণমান বজায় রাখতে এবং সময়মতো কাজ শেষ করতে বাধ্য হচ্ছেন।

দীর্ঘদিনের আমলাতান্ত্রিক জটিলতা বা ‘লাল ফিতার দৌরাত্ম্য’ কমাতে প্রধানমন্ত্রীর এই পদক্ষেপ অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা রাখছে। সপ্তাহের অন্য দিনগুলোয় নানা আনুষ্ঠানিকতা ও দর্শনার্থীদের ভিড়ে যেসব নীতিনির্ধারণী ফাইলে মনোযোগ দেওয়া সম্ভব হয় না, শনিবারের নিরিবিলি পরিবেশে প্রধানমন্ত্রী সেসব ফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই করে দ্রুত নিষ্পত্তি করছেন।

প্রধানমন্ত্রীর এই কর্মস্পৃহা পুরো প্রশাসনে প্রভাব ফেলেছে। ‘লিডিং ফ্রম দ্য ফ্রন্ট’ বা সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়ার নীতিতে বিশ্বাসী প্রধানমন্ত্রী যখন ছুটির দিনেও কাজ করেন, তখন মন্ত্রী, সচিব ও উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারাও নিজ নিজ অফিসে আসেন। অনেক মন্ত্রণালয় এখন জরুরি কাজ শেষ করতে শনিবারও খোলা রাখছে, যা সরকারি কর্মসংস্কৃতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন এনেছে।

বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে কঠোর কৃচ্ছতা
বিদ্যুৎ সংকট মোকাবিলায় বিলাসিতা পরিহারের কঠোর নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। সরকারি অফিসগুলোয় অর্ধেক ফ্যান ও অর্ধেক এসি চালানোর নির্দেশনা তিনি নিজে মেনে চলছেন এবং অন্যদেরও মানতে বলছেন।

অপ্রয়োজনীয় আলোকসজ্জা বন্ধ রাখা এবং দিনের আলো সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করার উদ্যোগ জাতীয় সম্পদ সাশ্রয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

ভিভিআইপি প্রটোকল ছাড়া চলাফেরা
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকার গঠনের পর জনজীবনের ভোগান্তি কমাতে নেওয়া যুগান্তকারী সিদ্ধান্তগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো ‘ভিভিআইপি প্রটোকল ছাড়া চলাফেরা’।

দীর্ঘদিনের ঔপনিবেশিক ধারা ভেঙে তিনি সাধারণ মানুষের মতোই সড়কে চলাচলের নির্দেশ দিয়েছেন। রাজধানী ঢাকার যানজট কমানো এবং মানুষের সময়ের মূল্য দিতে এই সিদ্ধান্ত ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হয়েছে।

অতীতে রাষ্ট্রপ্রধান বা সরকারপ্রধানের চলাচলের সময় নিরাপত্তার কারণে ঘণ্টার পর ঘণ্টা রাস্তা বন্ধ করে রাখা হতো। এতে সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়তেন। এখন প্রধানমন্ত্রী ট্রাফিক আইন মেনে সাধারণ গাড়ির মতোই চলাচল করছেন এবং সিগন্যালে দাঁড়াচ্ছেন।

প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহরের সঙ্গে থাকা নিরাপত্তা গাড়িগুলো এখন আর উচ্চ শব্দে সাইরেন বাজায় না। তিনি নির্দেশ দিয়েছেন, তার চলাচলের কারণে যেন কোনোভাবেই সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত না হয়।

নিরাপত্তা ব্যবস্থা বজায় রেখে দৃশ্যমান মহড়ার পরিবর্তে ‘লো-প্রোফাইল’ নিরাপত্তা ব্যবস্থায় জোর দেওয়া হয়েছে। স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্সও (এসএসএফ) এখন দৃশ্যমান মহড়ার পরিবর্তে গোয়েন্দা নজরদারিকে গুরুত্ব দিচ্ছে। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে ভীতি কমেছে এবং প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জনগণের মানসিক দূরত্বও কমেছে।

প্রধানমন্ত্রীর এই উদ্যোগ দেখে মন্ত্রিপরিষদের সদস্য এবং উচ্চপদস্থ আমলারাও এখন অতিরিক্ত প্রটোকল পরিহার করছেন। ফলে ট্রাফিক পুলিশের ওপর চাপ কমেছে এবং ঢাকার রাস্তায় ভিআইপি মুভমেন্টজনিত কৃত্রিম যানজট অনেকাংশে কমে এসেছে।

জ্বালানি তেলের দাম না বাড়ানো
বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম অস্থিতিশীল থাকলেও দেশের বাজারে তেলের দাম না বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। জ্বালানির দাম বাড়লে পরিবহন ভাড়াসহ সব কিছুর দাম বাড়ে। সাধারণ মানুষের কথা বিবেচনা করে সরকার ভর্তুকি দিয়ে হলেও তেলের দাম স্থিতিশীল রেখেছে, যা মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সহায়ক ভূমিকা রাখছে।

দ্রব্যমূল্যের স্থিতিশীলতা ও সিন্ডিকেট দমন
রমজানসহ বিভিন্ন উৎসবকে কেন্দ্র করে অসাধু ব্যবসায়ীরা যাতে কৃত্রিম সংকট তৈরি করতে না পারে, সে জন্য কঠোর নজরদারি ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। বাজার সিন্ডিকেট ভাঙতে টাস্কফোর্স গঠন এবং নিয়মিত অভিযানের ফলে চাল, ডাল, তেলসহ নিত্যপণ্যের দাম সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখা সম্ভব হয়েছে।

আরও কিছু উদ্যোগ
দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী। সরকারি সেবা খাতে দুর্নীতি দমনে ডিজিটালাইজেশনের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে এবং কয়েকজন দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

স্বাস্থ্য ও শিক্ষাখাতে সেবার মান নিশ্চিত করতে পূর্বঘোষণা ছাড়াই বিভিন্ন হাসপাতাল ও সরকারি দপ্তরে ঝটিকা পরিদর্শন করছেন প্রধানমন্ত্রী। এতে সংশ্লিষ্টরা দায়িত্ব পালনে আরও সতর্ক হচ্ছেন।

এ ছাড়া শিক্ষিত বেকারদের কর্মসংস্থানের জন্য স্টার্টআপ ফান্ড গঠন, সহজ শর্তে ঋণ এবং আইটি খাতে ফ্রিল্যান্সিংয়ে বিশেষ প্রণোদনা ঘোষণাও সরকারের গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক দিলারা চৌধুরী বলেন, তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর যেসব ইতিবাচক পদক্ষেপ নিয়েছেন, তা নিঃসন্দেহে প্রশংসার যোগ্য। এই ধারা অব্যাহত থাকলে দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠা সম্ভব।

রাষ্ট্রবিজ্ঞানী গোলাম হাফিজ বলেন, রাষ্ট্রের গুণগত পরিবর্তনের ক্ষেত্রে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। বিশেষ করে প্রটোকল কমানো, ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ডের মতো উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে নির্বাচনের আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তব রূপ পাবে। সুশাসন ও দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন গড়ে তুলতে পারলে দেশে স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠিত হবে।

আজকের সিলেট/ডি/এসটি

সিলেটজুড়ে


মহানগর