বালাগঞ্জ -শেরপুর খসরুপুর সড়কের ২.৫ কিলোমিটার তম স্থানে ছোট একটি কালভার্ডের কারণে বাড়িঘর সহ কৃষি জমি ধ্বংস, ক্ষতি হতে পারে কয়েক শত একর কৃষি জমি। একারণে কালভার্ট ভরাট করে দেওয়ার দাবি জানিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত আবেদন দিয়েছেন সিলেটের বালাগঞ্জ উপজেলা সদর ইউনিয়নের করচারপাড় গ্রামবাসী।
আবেদন সূত্রে জানা গেছে, করচারপাড় গ্রামের মধ্যদিয়ে বালাগঞ্জ -শেরপুর সড়কের ২.৫ কিঃমিঃ তম স্থানে ক্ষতিগ্রস্থ ছোট একটি কালভার্ট বিদ্যমান রয়েছে। এ ক্ষতিগ্রস্থ কালভার্টের বিপরীতে ২০ মিটার দৈর্ঘ্য একটি ব্রীজ নিমার্ণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
রাস্তার দুই পাশে অত্র এলাকার শত শত একর ফসলী জমি, ভিটাবাড়ি সহ মালিকানা জায়গা রয়েছে। এ স্থানে কালভার্ট থাকার কারণে ইতিমধ্যে বিগত বন্যায় স্রোতের বেগে ভিটাবাড়ী সহ বেশ কিছু ফসলী জমি ক্ষতিগ্রস্থ (১০-২০ফুট) গর্তের সৃষ্টি হয়েছে।
কালভার্টের স্থলে এত দীর্ঘ একটি ব্রীজ নির্মাণ করলে আশপাশের ফলসীজমি গুলো হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়তে পারে কৃষকরা। এতে এলাকাবাসীর মধ্যে হতাশা ও ক্ষোভসৃষ্টি হয়েছে।
আবেদনে থেকে আরো জানা যায়, কালভার্টের দু'পাশেই ৩ ফসলী কৃষি জমি, সরকারি কোন খাল বা নালা নাই। যখন মাটির রাস্তা ছিলো তখনও এখানে কোনো কালভার্ডও ছিল না। এলাকাবাসীর পরামর্শ বা মতামতকে উপেক্ষা করে এই কালভার্ডটি নির্মাণ করা হয়েছিল। এজন্যে এই স্থানে ব্রীজ বা কালভার্ট পুনঃনির্মান হলে এলাকাবাসীর দিগর বেড়কুড়ি মৌজার জে,এল নং- ১৩৬, দাগ নং- ২৫৯, ২৬০, ২৬২, ২৬৩, ২৬৪, ২৭৫, ২৫৮, ২৫৭, ২৫৬, ২৫৫, ১৬৯, ১৭০, ১৭১, ১৭৪, ১৭৫, ১৭৬, ১৭৭, ১৭৯, ১৮০ তফশীল বর্ণিত ভিটাবাড়ি, ক্ষেতের জমি ও ফসলাদীসহ ইত্যাদি বিশাল ক্ষতির সম্মুখীন হবে। ক্ষতির দিক চিন্তা করে ব্রীজটি না করে এবং ক্ষতিগ্রস্থ কালভার্ডটি ভেঙে সমতল সড়ক করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
এলাকাবাসীর দাবি করচারপাড় গ্রামে প্রবেশ মুখে একটি বিশাল সরকারি খাল রয়েছে, যা কুশিয়ারা নদী ও করচা হাওরের পানি নামা-উঠা করে এবং এই খালের উপরে থাকা ক্ষতিগ্রস্থ ব্রীজটি সংস্কার করলে এলাকার মানুষ উপকৃত হবে বলে আবেদনে জানিয়েছেন।
এ ব্যাপারে উপজেলা প্রকৌশলী হাবিবুল্লাহ বলেন, বিষয়টি উর্ধতন কর্তৃপক্ষের নিকট অবহিত করেছি।
আবেদন প্রাপ্তির বিষয়টি নিশ্চিত করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুজিত কুমার চন্দ বলেন, এলাকাবাসীর দাবিটি গুরুত্ব দিয়ে দেখার জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কাছে সুপারিশ করেছি।
আজকের সিলেট/ডি/এসটি
বালাগঞ্জ প্রতিনিধি 








