গোয়াইনঘাট উপজেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম বলেন,কৃষিতে এগিয়ে যাচ্ছে গোয়াইনঘাট উপজেলা। সরকারের নানামুখী উদ্যোগের ফলে একটু একটু করে এগিয়ে যাচ্ছে কৃষি খাত। যা বর্তমানে উজ্জ্বল নক্ষত্র হয়ে জ্বলছে। খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রযুক্তি নির্ভর কৃষি ব্যবস্থাপনায় কৃষকদের সক্ষমতা বাড়ানো ও সকলকে কৃষিতে সংযুক্ত হওয়ার আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, কৃষি হচ্ছে একমাত্র হালাল পরিশ্রমের কর্ম। কৃষি উৎপাদনের পাশাপাশি কৃষিপণ্যের বিপণণ ব্যবস্থায় প্রযুক্তির ব্যবহার খুবই জরুরি।
কৃষি খাতে উপজেলার গণ্ডি পার করে দেশের বিভিন্ন জেলায় শীতকালীন সবজি, লাগা মরিচ ও তরমুজ বিপণন হচ্ছে এমনকি ইউরোপ আমেরিকায়ও যাচ্ছে। কেবল সবজি-ই নয় ধান উৎপাদনেও অনেক পেছনে থাকা গোয়াইনঘাট এখন অনেকটা স্বয়ংসম্পন্ন।
নির্বাহী কর্মকর্তা তৌহিদুল ইসলাম বলেন, এ খাতে শিক্ষিত তরুণরা এখন যোগ দিচ্ছেন। ফলে কৃষি খাত আগের তুলনায় অনেক এগিয়ে যাচ্ছে। এ ছাড়া বর্তমান সরকার নানা ধরনের সহায়তা করায় কৃষকরা ফসল উৎপাদনে আগ্রহী হয়ে উঠেছে। যার প্রভার পড়ছে উৎপাদনে। এই উৎপাদন দেশের পরিমণ্ডলে উপজেলারর ভাবমূর্তিকে উজ্জ্বল করেছে।
বৃহস্পতিবার বিকেলে বিয়াম ল্যাবরেটরী স্কুল মাঠে উপজেলা প্রশাসন ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের যৌথ আয়োজনে এবং ফ্লাড রিকনস্ট্রাকশন ইমার্জেন্সি এসিসটেন্স প্রজেক্টের (ফ্রিপ) অর্থায়নে তিনদিন ব্যাপি কৃষি ও প্রযুক্তি মেলার সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।
এ সময় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, গোয়াইনঘাটের সহকারি কমিশনে (ভূমি) মো. সাইদৃল ইসলাম, উপজেলা প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. জামাল খান, গোয়াইনঘাট প্রেসক্লাবের সভাপতি মনজুর আহমদ, সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. মিনহাজ উদ্দিন প্রমুখ।
উপস্থিত ছিলেন,প্রেসক্লাব সহ-সভাপতি সৈয়দ হেলাল আহমদ বাদশা,কোষাধক্ষ্য আজিজুর রহমান,প্রেসক্লাব সদস্য আমির উদ্দিন, কাউসার আহমদ রাহাত, মিনহাজ মির্জা ও উপজেলা রিপোর্টার্স ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ইমরান আহমদ।
অনুষ্ঠানে উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের কৃষক-কৃষানী উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা সভা শেষে উপজেলার সেরা ১০ জন শ্রেষ্ট কৃষক এবং মেলায় সেরা ৫ টি স্টলের ১০ জন উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাকে পুরস্কার প্রদান করেন আমস্ত্রীত অতিথিবৃন্দ।
আজকের সিলেট/প্রতিনিধি/এপি
সৈয়দ হেলাল আহমদ বাদশা, গোয়াইনঘাট থেকে 








