সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলার আওতায় ২০২৪সালের শারদীয় দূর্গোউৎসব উদযাপনের প্রস্তুতি নিচ্ছে চার ইউনিয়নের ৩১টি মন্ডপে।বিষয়টি নিশ্চিত করেন বাংলাদেশ পুজা উদযাপন পরিষদ মধ্যনগর উপজেলার সভাপতি দেবল কিরণ তালুকদার।অনুসন্ধানে জানা যায় বিগত বছরে মধ্যনগর উপজেলায় ৩৩টি মন্ডপে শারদীয় উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছিল।তবে এবছর সদরের গলহায় ১টি ও উত্তরের মহিষখলা বাজারেরটি কমে গিয়ে ৩১টি মন্ডপে শারদীয় উৎসব অনুষ্ঠিত হবে।
মধ্যনগর পুজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি দেবল কিরণ তালুকদার জানান আমাদের উপজেলায় ৩১টি পূজামন্ডপেই প্রশাসনিক নজরদারি জোড়দার থাকবে বলে আমাকে আস্বস্থ্য করেছেন জেলা পুলিশ সুপার এমএন মোর্শেদ।
এছাড়াও সার্কেল এসপি,অনুসন্ধানী টিম ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সার্ব্বক্ষণিক খোঁজ খবর নিচ্ছেন।বিগত ২৫শে সেপ্টেম্বর বুধবার সদর সহ কয়েকটি মন্দির পরিদর্শন করে গেছেন প্রশাসনিক কর্মকর্তাগণ।আমরা শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রেখেই শারদীয় উৎসব পালানের প্রস্তুতি নিচ্ছি।
হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় উৎসব শ্রীশ্রী দেবী দূর্গা মায়ের চরণে ৯ই অক্টোবর বিল্ব ষষ্ঠীর মাধ্যমে সূচনায় সপ্তমী,অষ্টমী,নবমী ও১৩ই অক্টোবর বিজয়া দশমীতে বিসর্জনের মধ্যদিয় সমাপ্তি হবে শারদীয় উৎসবের।
একত্রিশটি মন্ডপের মধ্যে মধ্যনগর সদর ইউনিয়নের মধ্যনগর বাজার সার্বজনীন মন্দির,নিয়ামতপুর'মৎসজীবি,হাওরিয়াপাড়া,মধ্যনগর গ্রাম, মধ্যনগর বড়বাড়ী, বৈঠাখালী, মাছিমপুর, গলহা, জমশেরপুর, গলইখালী, করুয়াজান সার্বজনীন সহ ১১টি।
চামরদানী ইউনিয়নে দরাপপুর, দরাপপুর নোয়াগাঁও, বিষাড়া সার্বজনীন, রামদীঘা, চামরদানী, জলুষা, কামারগাঁও সার্বজননীন, কামারগাও (তমালবাড়ী) ও নগদাপাড়া সার্বজনীন মোট ৯টি।
দক্ষিণ বংশীকুন্ডা ইউনিয়নে রাঙ্গামাটি, শিশুয়া, ঘাসী ,বাট্টা, দক্ষিণউড়া, নিশ্চিন্তপুর বড়বাড়ী, নিশ্চিন্তপুর সার্বজনীন ও ডুলপুশি সার্বজনীন মোট ৮টি।
উত্তর বংশীকুন্ডায় ইউনিয়নে বান্দ্রা, ঘিলাগড়া ও বাকাতলা মোট ৩টি সার্বজনীন দূর্গা মন্দিরে শারদীয় উৎসব দূর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে।চার ইউনিয়নে সর্বমোট ৩১টি মন্ডপে শারদীয় উৎসব অনুষ্ঠিত হবে এমটাই বলা হয়েছে বাংলাদেশ পুজা উদযাপন পরিষদের এক বিজ্ঞপ্তিতে।
মধ্যনগর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃস্বজীব রহমান জানান৷ গত বুধবার পুলিশ সুপার এমএন মোর্শেদ সদরসহ কয়েকটি পুজামন্ডপ পরিদর্শন করেছেন। এছাড়াও আমি ও আমার বিট অফিসারদের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক তদারকি খোঁজ খবর এবং নিজস্ব ভলান্টিয়ারদের মাধ্যমে নিরাপত্তা রয়েছে।পুজা উদযাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দের সাথে সর্বদাই যোগাযোগ করছি। প্রতিমা স্থাপন ইতিমধ্যে অনেকগুলো সম্পন্ন ও বাকীগুলো কারুকাজ চলমান রয়েছে। আমরা সচেষ্ট থেকে শারদীয় উৎসবের পুর্ব প্রস্তুতির স্বাগত জানাই।
আজকের সিলেট/প্রতিনিধি/এসটি
মধ্যনগর (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি 








