বিপিএলে ফিক্সিংয়ের অভিযোগে ক্রিকেটারসহ চারজনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা
শনিবার, ০৯ মে ২০২৬, ০৭:৩৭ PM

বিপিএলে ফিক্সিংয়ের অভিযোগে ক্রিকেটারসহ চারজনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

ক্রীড়া ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৯/০৫/২০২৬ ০৯:৪০:৩৫ AM

বিপিএলে ফিক্সিংয়ের অভিযোগে ক্রিকেটারসহ চারজনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা


বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) ২০২৫ আসরে ফিক্সিং ও জুয়াসংশ্লিষ্ট কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে ক্রিকেটার, দলীয় কর্মকর্তা ও ফ্র্যাঞ্চাইজি সংশ্লিষ্ট চারজনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। দীর্ঘ তদন্ত শেষে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে সংস্থাটি।

বিসিবি জানায়, বিপিএলের ১২তম আসর নিয়ে বিসিবির ইনটেগ্রিটি ইউনিট (বিসিবিআইইউ) প্রায় ৯০০ পৃষ্ঠার তদন্ত প্রতিবেদন তৈরি করেছে। সেখানে দুর্নীতির চেষ্টা, জুয়ায় সম্পৃক্ততা, তদন্তে সহযোগিতা না করা এবং তদন্ত কার্যক্রমে বাধা দেওয়ার মতো অভিযোগের প্রমাণ পাওয়া গেছে।

অভিযুক্ত চারজন হলেন— ঘরোয়া ক্রিকেটার অমিত মজুমদার, টিম ম্যানেজার মো. লাবলুর রহমান, টিম ম্যানেজার রেজওয়ান কবির সিদ্দিকী এবং ফ্র্যাঞ্চাইজির সহ-মালিক মো. তৌহিদুল হক তৌহিদ।

বিসিবির বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) দুর্নীতিবিরোধী বিধিমালার বিভিন্ন ধারা লঙ্ঘনের অভিযোগে তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়েছে।

অমিত মজুমদারের বিরুদ্ধে ক্রিকেট ম্যাচের ফলাফল, অগ্রগতি বা ম্যাচসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে বাজি ধরা বা বাজি গ্রহণের অভিযোগ আনা হয়েছে। একই ধরনের অভিযোগ আনা হয়েছে টিম ম্যানেজার রেজওয়ান কবির সিদ্দিকীর বিরুদ্ধেও।

অন্যদিকে লাবলুর রহমান ও তৌহিদুল হক তৌহিদের বিরুদ্ধে তদন্তে সহযোগিতা না করা, তথ্য গোপন বা ধ্বংস করা এবং তদন্ত কার্যক্রমে বাধা দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে।

বিসিবি জানিয়েছে, অভিযুক্ত চারজনকেই সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। অভিযোগের বিষয়ে জবাব দেওয়ার জন্য তাঁদের ১৪ দিন সময় দেওয়া হয়েছে। তদন্তাধীন বিষয় হওয়ায় এ বিষয়ে আর কোনো মন্তব্য করবে না বলে জানিয়েছে বোর্ড।

এ ছাড়া বিপিএলের নবম, দশম ও একাদশ আসরে দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে সামিনুর রহমানের বিরুদ্ধে ‘বিসিবি এক্সক্লুডেড পারসন পলিসি’র আওতায় বহিষ্কারাদেশ জারি করা হয়েছে।

বিসিবির ভাষ্য অনুযায়ী, তদন্তে সামিনুর রহমানের বিরুদ্ধে জুয়াসংশ্লিষ্ট কার্যক্রমে অংশ নেওয়া, খেলোয়াড় ও এজেন্টদের দুর্নীতির প্রস্তাব দেওয়া এবং দেশি-বিদেশি বেটিং সিন্ডিকেটের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার প্রমাণ পাওয়া গেছে। নোটিশ পাওয়ার পর তিনি আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকার ত্যাগ করে বহিষ্কারাদেশ মেনে নিয়েছেন।

আজকের সিলেট/ডি/এসটি

সিলেটজুড়ে


মহানগর