সুনামগঞ্জের শাল্লা এবং হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জ ও বানিয়াচং উপজেলায় বজ্রপাতে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। বজ্রপাতের ঘটনায় ভাই-বোনসহ আরও তিনজন আহত হয়েছেন।
সোমবার সকালে বৃষ্টির সময় পৃথকভাবে এ ঘটনা ঘটে।
সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার ১ নম্বর আটগাঁও ইউনিয়নের আটগাঁও গ্রামে (পাতার হাটি) বজ্রপাতে রিমন তালুকদার (২০) নামে এক শিক্ষার্থী মারা গেছেন। তিনি শাল্লা সরকারি ডিগ্রি কলেজের স্নাতক বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন এবং স্থানীয় জাহেদ তালুকদারের ছোট ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, সকাল ৭টার দিকে গুড়ি গুড়ি বৃষ্টির মধ্যে রিমন গরু আনতে হাওরে গেলে বজ্রপাতের শিকার হন। ঘটনাস্থলেই রিমন ও একটি গরু মারা যায়। পরে স্বজনরা তার মরদেহ বাড়িতে নিয়ে আসেন।
শাল্লা থানার ওসি শফিকুল ইসলাম বলেন, রিমন তালুকদার বজ্রপাতে মারা গেছেন। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
অন্যদিকে, হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জ উপজেলার আড়িয়ামুগুর গ্রামে বজ্রপাতে কালবাসী দাশের ছেলে দূর্বাসা দাশ (৩৫) নিহত হন। আহত হন তার ভাই ভূষণ দাশ (৩৪) ও বোন সুধন্য দাশ (২৮)। একই সময় বানিয়াচং উপজেলার বাগহাতা গ্রামে বজ্রপাতে নুরুল ইসলামের ছেলে বায়েজিদ মিয়া (১৩) আহত হয়।
হবিগঞ্জের ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা আজাদুর রহমান জানান, ধান কাটার সময় বজ্রপাতের ঘটনা ঘটে। নিহতের পরিবারকে ২০ হাজার টাকা সহায়তা দেওয়া হবে।
আজকের সিলেট/ডি/এসটি









