বিপণিবিতান পরিদর্শনের নামে ‘ঘুষ’ দাবি কাস্টমস কর্মকর্তার!
রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬, ০৩:৩৮ PM

বিপণিবিতান পরিদর্শনের নামে ‘ঘুষ’ দাবি কাস্টমস কর্মকর্তার!

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ২৫/০৩/২০২৫ ১২:২৩:৪১ PM

বিপণিবিতান পরিদর্শনের নামে ‘ঘুষ’ দাবি কাস্টমস কর্মকর্তার!


প্রকাশ্যে বিপণিবিতানে ঢুকে ঘুষ চাওয়ার অভিযোগে কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট বিভাগের এক কর্মকর্তাকে ঘেরাও করে মারধর করা হয়েছে। অভিযুক্ত শামীম আল মামুন কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট বিভাগ হবিগঞ্জ আঞ্চলিক কার্যালয়ের পরিদর্শক পদে কর্মরত।

সোমবার গভীর রাত সাড়ে ১২টার দিকে হবিগঞ্জ জেলা শহরের ঘাটিয়াবাজারে এসডি প্লাজা নামে ওই দোকান থেকে তাকে উদ্ধার করে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানা পুলিশ।

সরেজমিনে দেখা যায়, রাত সাড়ে ১১টার দিকে এসডি প্লাজার সামনে ঘাটিয়াবাজারের  কয়কশ ব্যবসায়ী, কর্মচারী ও ক্রেতা ওই কর্মকর্তাকে ঘেরাও করে রেখেছেন। উত্তেজিতরা  ভুয়া, ভুয়া স্লোগান দিয়ে তাকে মারধরের চেষ্টা করেন। পরে থানার পুলিশ ও ব্যবসায়ী নেতারা  গিয়ে তাকে ঘিরে ধরে নিরাপত্তা দেন।

পরে তাকে পুলিশের পিকআপভ্যানে তুলে নেওয়ার সময় কয়েকজন উত্তেজিত লোক  চড়থাপ্পর দিতে থাকেন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসেন কাস্টমস এর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও।

দোকান মালিকের ছেলে শুভ দাশ জানান, শামীম আল মামুন এক সপ্তাহ আগে এসডি প্লাজায় একা গিয়ে কাগজপত্র খতিয়ে দেখেন। এরপর বিভিন্ন ধারায় মামলা দায়েরের হুমকি দিয়ে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। সেদিন টাকা দেওয়া হয়নি।

পরে সোমবার রাতে আরেক দফায় দোকানটিতে গিয়ে ঘুষের টাকার জন্য চাপ দেন। এ সময় দোকানের লোকজন ও কাস্টমস কর্মকর্তার মধ্যে উত্তেজনা দেখা দিলে কয়েকশ লোক এগিয়ে এসে তাকে ঘেরাও করে রাখেন।

পরে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে। রাত সোয়া ২টায় এ রিপোর্ট লেখার সময় পর্যন্ত কাস্টমস কর্মকর্তা শামীম আল মামুন থানায় পুলিশ হেফাজতে ছিলেন। তবে তিনি ঘুষ চাওয়ার বিষয়টি মিথ্যা দাবি করেন এবং দায়িত্ব পালনে এসডি প্লাজায় গিয়েছিলেন বলে যান।

হবিগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শহিদুল হক মুন্সী বলেন, ব্যবসায়ী ও কাস্টমস কর্মকর্তা দুইপক্ষ বিপরীতমুখী বক্তব্য দিচ্ছেন। মূল ঘটনা উদঘাটনের চেষ্টা চলছে।

আজকের সিলেট/ডি/এসটি

সিলেটজুড়ে


মহানগর