জৈন্তাপুরে লম্পট পিতা তোতা মিয়া (৪৬) নিজের মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে আটক করেছে পুলিশ। লম্পট তোতা মিয়া (৪৬) কানাইঘাট উপজেলার বাউরভাগ লক্ষীপ্রসাদ গ্রামের মৃত ফয়জুল হকের ছেলে। বর্তমানে সে পরিবার নিয়ে জৈন্তাপুর উপজেলার নিজপাট ইউনিয়নের গোয়াবাড়ী এলাকায় বসবাস করেন।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় তোতা মিয়া নিজের ১ম পক্ষের ১৩ বছর বয়সী মাদ্রাসাপড়ুয়া মেয়েকে ধর্ষণ করার সময় প্রতিবেশীদের সহযোগিতায় তাকে আটক করেন দ্বিতীয় স্ত্রী।পরে স্থানীয়রা তোতা মিয়াকে উত্তম-মধ্যম দিয়ে আটক করে রাখেন।এরপর পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ভিকটিম কিশোরীর দেওয়া ভাষ্যমতে ধর্ষণের সত্যতা নিশ্চিত হয়ে তোতা মিয়াকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
পুলিশ আরও জানায়, ভিকটিম কিশোরীর মা বিয়ানীবাজার উপজেলায় থাকেন এবং বিভিন্ন বাসা-বাড়িতে গৃহপরিচারিকার কাজ করেন।গোয়াবাড়ী এলাকায় তোতা মিয়া দ্বিতীয় স্ত্রী ও ১ পক্ষের সন্তানসহ বসবাস করে আসছিলো।
ভিকটিম কিশোরী তার সৎ মাকে জানায়, গত দুই সপ্তাহ যাবৎ একাধিকবার তার বাবা তাকে ধর্ষণ করে আসছিলেন। এ ঘটনায় তোতা মিয়ার দ্বিতীয় স্ত্রী আফিয়া বেগম প্রথম স্ত্রীর অনুমতি নিয়ে স্বামীর বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেছেন।
জৈন্তাপুর মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মোহাম্মদ উসমান গনি বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, এ ঘটনায় ভিকটিমের সৎ মা বাদী হয়ে অভিযোগ দায়ের করেছেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ৯ (১) ২০০০ সালের সংশোধনী ধারায় ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক ধর্ষণ করার অপরাধে মামলাটি রেকর্ডভুক্ত করেছে। মামলা নং- ৭, তারিখ ১৭/০২/২০২৫। আটক তোতা মিয়াকে মঙ্গলবার সকালে পুলিশ পাহারায় আদালতে সোপর্দপূর্বক জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
ভিকটিম কিশোরীকে অধিকতর চিকিৎসার জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ওয়ানস্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে প্রেরণের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তিনি।
আজকের সিলেট/প্রতিনিধি/এপি
জৈন্তাপুর প্রতিনিধি 








