গত ১৫ ই ফেব্রুয়ারি শনিবার, জগন্নাথপুর সরকারি কলেজে ১৯৯৩ সালের এইচএসসি ব্যাচের শিক্ষার্থীদের মিলনমেলা ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়। শিক্ষানুরাগী, প্রগতিশীলতা, সাহিত্য ও সংস্কৃতিক আড্ডাময় নানাবিধ নান্দনিক আয়োজন ছিলো অনুষ্ঠানে । জগন্নাথপুর উপজেলার, ইসহাকপুরে-যুক্তরাজ্য প্রবাসী মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন এর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।
সালেহ আহমদ ও নাছিম আহমেদের পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে দুপুর ২ ঘঠিকার অনুষ্ঠানটির আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়। ফারুক জামানের সঞ্চালনায় ও মোহাম্মদ সেলিম রেজার সভাপতিত্বে ৯৮- ব্যাচের ছাত্রদের মিথস্ক্রিয়াময় এ অনুষ্ঠানটি। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, শব্দসিঁড়ি সাহিত্য ও সংস্কৃতি পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি কবি ইমামুল ইসলাম রানা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, শব্দসিড়ি সাহিত্য ও সংস্কৃতি পরিষদের সাধারণ সম্পাদকও প্রকাশক কবি মুহসিনা খাতুন রুমি।
জগন্নাথপুর সরকারি কলেজে ১৯৯৩ এইচএসসি ব্যাচের শিক্ষার্থীদের মিলনমেলায় ব্যাচের ১২২ জনের মধ্যে উপস্থিত ছিলো ৩৪ জন।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন আব্দুল মালিক, ফজর আলী, আব্দুল ওদুদ, সুজাত মিয়া, শামীম মিয়া, আব্দুল হক, এস এম সমরাজ, কবির আহমদ, ও মুকিম আহমুদ সহ আরো অনেকে।
সাহিত্যের প্রতি বিশেষ অবদানের জন্য, সংবর্ধিত অতিথি মুহাম্মদ সেলিম উদ্দিন কে, শব্দসিঁড়ি সাহিত্য ও সংস্কৃতি পরিষদের পক্ষ থেকে, সম্মাননা স্মারক তুলে দেন প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথি মহোদয় সহ অনান্যরা । সেই সাথে মুহাম্মদ সেলিম উদ্দিনের সহধর্মিনী মনিরা চৌধুরী ও তাদের সন্তান সালেহ আহমদ এবং নাসিম আহমদকে শুভেচ্ছা ক্রেস্ট স্মারক প্রদান হয়।
১৯৯৩ ব্যাচের সকল বন্ধু-বান্ধবের পক্ষ থেকে সম্মাননা স্মারকে ভূষিত করা হয় সংবর্ধিত অতিথিজনদের। সর্বসম্মতিক্রমে, আগামীতে এই ব্যাচের স্মৃতিচারণে স্মারক গ্রন্থ প্রকাশের সিদ্ধান্তও গৃহীত হয় আনুষ্ঠানিক আলোচনায় । সংবর্ধিত অতিথি সেলিম উদ্দিন বলেন, 'আমরা যারা এখানে উপস্থিত হয়েছি সবাইকে নিয়ে জনকল্যানমূখী ব্যাচ ফাউন্ডেশন হয়ে কাজ করতে চাই। আগামীতে ব্যাপকতর ভাবে যাতে সামাজিক উন্নয়নে কাজ করতে পারি সকলের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি । অবশেষে, সভাপতি উপস্থিত সকলের উদ্দেশ্য শুভেচ্ছা বানী জানিয়ে, সমাপনী বক্তব্য দিয়ে অনুষ্ঠানটির সমাপ্তি ঘোষণা করেন।
আজকের সিলেট/এসসিজে









