প্রতি বছরই পাঠ্যবই ছাপানোর সময় কিছু না কিছু ভুল-ভ্রান্তি থাকার কথা উল্লেখ করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, পাঠ্যবইয়ের আলোকেই শিশুদের মানসিক বিকাশ গড়ে ওঠে, তাই ভুল থাকা কাম্য নয়। এবার ত্রুটি কমাতে সরকার চেষ্টা করছে আর আমাদের পক্ষ থেকে ত্রুটি কমাতে সবোর্চ্চ চেষ্টা করেছি। নতুন পাঠ্যপুস্থকে ত্রুটি কমাতে কাজ করছে সরকার বই হাতে পেলেই বুঝা যাবে কতটুকু ফলপ্রসূ হয়েছে। শিক্ষার্থীদেরকে শুধু জিপিএ কিংবা রেজাল্ট সমীকরণে না রেখে মেধা চর্চা খেলাধুলায় গুরুত্ব দেওয়া জরুরি।
মঙ্গলবার সকালে গণশিক্ষা উপদেষ্টা নিজের শৈশবের স্কুল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন।
এ সময় তিনি শৈশবের বিদ্যালয়ের স্মৃতিচারণা করেন শিক্ষা উপদেষ্টা। বলেন, আমি পড়াশোনা করার জন্য দুর্গম এলাকা মধ্যনগর থেকে লঞ্চ দিয়ে শহরের এই ঐতিহ্যবাহী জুবলী স্কুলে আসতাম। যখন লঞ্চ বন্ধ থাকত তখন নৌকা করে আসতাম। আমার মনে হয় জুবলী স্কুলসহ দেশের সব প্রাচীন বিদ্যালয় বিশ্বের দরবারে আমাদের তুলে ধরা উচিত।
স্কুলের মাঠ দখল রোধ করতে সব সময় খেলাধুলোর জন্য উন্মুক্ত রাখার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, খেলাধুলার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মধ্যে একটি টিমওয়ার্ক গড়ে ওঠে। স্কুলের মাঠে খেলাধুলা ছাড়া অন্য কিছু আয়োজন করা ঠিক নয়। আর স্কুলের মাঠে সব সময় খেলাধুলা থাকতে হবে, না হয় দখলদারির মনোভাব গড়ে উঠবে।
এসসময় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা নিজ জেলার শৈশবের স্কুল পরিদর্শন করে স্মৃতিচারণ করেন অংশ নেন শিক্ষার্থীদের ক্লাশ পার্টিতে।
আজকের সিলেট/ডি/এসটি
দিরাই (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি 








