সিলেটে জাল নোটের জালিয়াত চক্রের চার সদস্যকে আটক করেছে র্যাব। তাদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ জাল নোট উদ্ধার করা হয়েছে। আটককৃতরা হলো- গোপালগঞ্জ জেলার কোটালিপাড়া থানার পীরেরবাড়ির মৃত ঠাকুর চাঁদ বালার ছেলে গুরুচাঁদ বালা (৩৮), শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ি লগারপাড়া গ্রামের মো. হাবুল মিয়ার ছেলে শফিকুল ইসলাম (৩৫), একই উপজেলার নগরপাড়া গ্রামের মো. কুদ্দুস আলীর ছেলে মো. রাশেদ মিয়া (৩০) ও বরিশাল জেলার বাবুগঞ্জ থানার হাদি বাঁশকাঠি গ্রামের আবদুল বারেক সরদারের ছেলে মো. সোহাগ সরদার (৩৩)।
বুধবার র্যাব-৯ এর সদর দপ্তরে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জালিয়াত চক্রের সদস্যদের কাছ থেকে জাল নোট দিয়ে প্রতারণার অভিনব কৌশলও জানতে পেরেছে র্যাব।
র্যাব-৯ এর মিডিয়া অফিসার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে এম শহিদুল ইসলাম সোহাগ জানান, মঙ্গলবার রাত ১১টা ৫০ মিনিটের দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজার গেইট এলাকা থেকে সন্দেহভাজন এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়।
জিজ্ঞাসাবাদে ওই ব্যক্তি জানায়, সে জাল নোটের কারবারি। সে এবং তার তিন সহযোগী বিগত কয়েকদিন থেকে সিলেট শহরে অবস্থান করে জাল নোট দিয়ে প্রতারণা করে আসছে।
তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১টার দিকে সিলেট নগরীর বন্দরবাজারস্থ লালবাজারের একটি আবাসিক হোটেলে অভিযান চালিয়ে চক্রের আরও তিন সদস্যকে আটক করা হয়। জালিয়াত চক্রের সদস্যদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় ৫ লাখ ২ হাজার ৭০০ টাকার জাল নোট।
জিজ্ঞাসাবাদে ওই চক্রের সদস্যরা জানায়, তারা সাধারণত জনবহুল বাজার এবং ছোট ছোট দোকানকে টার্গেট করে কম মূল্যের কোন পণ্য ক্রয় করে বড় অংকের জাল নোট প্রদান করে। এরপর দোকানদারের কাছ থেকে তারা ফেরত হিসেবে অবশিষ্ট টাকার আসল নোট গ্রহণ করে।
এভাবেই তারা দীর্ঘদিন ধরে প্রতারণা করে আসছিল। বিশেষ করে উৎসবের সময় বা ভিড়ের সুযোগ নিয়ে তারা এই জাল নোট বাজারে ছড়িয়ে দিত।
আজকের সিলেট/এপি
নিউজ ডেস্ক 








