জলমহাল ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে মধ্যস্বত্যভোগীদের ব্যাপারে সরকার সতর্ক রয়েছে। যারা ১৭ বছর মৎসজীবেদের শোষণ করে অবৈধভাবে ভূমির মালিক হয়েছেন, তাদেরকে আর সুযোগ দেয়া যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু এমপি।
শনিবার দুপুরে ভূমি মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে, সুনামগঞ্জ শিল্পকলা একাডেমিতে সরকারি জলমহাল আইন, ২০২৬ এর খসড়া চূড়ান্তকরণ শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি আরো বলেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার মৎস্যজীবী ও কৃষকদের অধিকার রক্ষায় সোচ্চার রয়েছে। প্রকৃত মৎসজীবীদের মূল্যায়ণ করে জলমহাল ইজারার পাশাপাশি মৎস্য সম্পদের উৎপাদন বৃদ্ধি ও কৃষির অনূকুল পরিবেশ নিশ্চতে সরকার বদ্ধপরিকর। কোন অতি উগ্রবাদী যেন দেশে বিশৃঙ্খলা করতে না পারে সেক্ষেত্রে দেশপ্রেমিক নাগরিকদের সতর্ক থাকতে আহবান মন্ত্রী।সততা নিষ্ঠার মাধ্যমে সম ও সম্মান প্রতিষ্ঠার করে নিরাপদ বাংলাদেশ গড়তে প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। এছাড়াও অতিবৃষ্টিতে হাওরাঞ্চলে জলাবদ্ধতা থেকে ফসলি জমি রক্ষায় সরকারের প্রচেষ্টার কথা বলেন ভূমিমন্ত্রী। ইরান-ঈসরায়েলের যুদ্ধ পরিস্থিতিতে জ্বালানি সংকটে যাতে হাওরে ধানের উৎপাদনে নেতিবাচক প্রভাব না পড়ে। সেক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশনা দেন।
কর্মশালায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন ভূমি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, সুনামগঞ্জ- ৫ আসনের সংসদ সদস্য কলিম উদ্দিন আহমেদ মিলন, সুনামগঞ্জ -৩ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ কয়ছর আহমদ, সুনামগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য নূরুল ইসলাম, সুনামগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান কামরুল, ভূমি সংস্কার বোর্ডের চেয়ারম্যান, এ. জে. এম. সালাহউদ্দীন নাগরী, সিলেট বিভাগীয় কমিশনার (অতিরিক্ত সচিব) খান মোঃ রেজা-উন-নবী, ভূমি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এ এস এম সালেহ আহমেদ, সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়া ও সিলেট বিভাগের বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
আজকের সিলেট/এপি
নিউজ ডেস্ক 








