জগন্নাথপুরে বোরো ধান চাষীরা বৃষ্টির জন্য হাহাকার
বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬, ০৬:২১ AM

জগন্নাথপুরে বোরো ধান চাষীরা বৃষ্টির জন্য হাহাকার

জগন্নাথপুর (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ১৩/০৩/২০২৫ ১১:০৭:৪৩ AM

জগন্নাথপুরে বোরো ধান চাষীরা বৃষ্টির জন্য হাহাকার


সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলা বোরো ধান চাষ করে বৃষ্টির জন্য হাহাকার করছেন স্থানীয় কৃষকরা। দুঃচিন্তার ভাজ পড়ছে কৃষকদের কপালে। উপজেলার কৃষকদের রূপায়িত কৃষি জমিতে আবাদ করা ধানী জমি গুলো ফেটে যাচ্ছে। কৃষি জমি শুকিয়ে ধানের গাছে লালচে হয়ে যাচ্ছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, দেশের বেশির ভাগ জেলায় চলছে তীব্র খরা ও অনাবৃষ্টি। খাল বিল ও নদীর পানি শুকিয়ে যাচ্ছে। ফসলের জমি ফেটে চৌচির হয়ে যাচ্ছে। একমাত্র পানির জন্য কৃষকের বোরো ধানের ভালো ফলন নিয়ে দুশ্চিন্তার মধ্যে রয়েছে বহু কৃষক। বৃষ্টি না হলে বোরো ধান ক্ষতি গ্রস্থ হবে বলে কৃষকরা জানান, প্রচন্ড তাপ দাহ তীব্র খরা আর অনা বৃষ্টিতে একদিকে জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে পরেছে। তেমন অন্য দিকে হুমকি মুখে পড়েছে মাঠে বোরো ধানের ফসল। এতে ধানের ফসল নিয়ে শঙ্কায় পড়েছেন জগন্নাথপুর উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়ন ও পৌর সভার কৃষকরা।

হবিপুর এলাকার সইব উল্লা বলেন,আমরা বর্ষাকালে বৃষ্টির পানি দিয়ে বোরো চাষ করতাম। ধান লাগানো পর থেকে বৃষ্টির অপেক্ষায় থাকতে গিয়ে আমার জমি ও বর্গা জমি ধান নষ্ট হয়ে যাওয়ার পথে রয়েছে। সেচের পানি নিতে বাড়তি টাকা দিতে হয়। তাই বৃষ্টির জন্য অপেক্ষায় রয়েছি কিন্তু এছাড়া কোনো উপায় নেই।

সৈয়দপুর গ্রামের মোঃ দোলাল আহমদ বলেন, বাজার থেকে ঘরে এনে সার রাখা হয়। জমিতে পানি না থাকায় দিতে পারছি না কিন্তু বৃষ্টি জন্য অপেক্ষায় আছি। সময়মতো সার দিতে না পারলে বোরো ধানের গাছে পুষ্টি পাবে না। পুষ্টি জন্য ফসল ঘাটতি দেখা দেবে।

জগন্নাথপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কাওসার আহমদ বলেন, বোরো ফসলের পাশাপাশি সবজির জন্যও বৃষ্টি খুবই উপকারী। চলমান সময়ে বৃষ্টি হলে ফসলের জন্য ভালো হবে। এবার জগন্নাথপুরে ২০ হাজার ৪শ হেক্টর জমিতে বোরো চাষাবাদ করা হয়েছে। বৃষ্টি না হওয়ায় অনেক জায়গায় কৃষকের জমি পানি শুকিয়ে যাচ্ছে। কৃষক অনেক জায়গায় সার প্রয়োগ করতে পারছে না। ফলনে ঘাটতি দেখা দিতে পারে।

আজকের সিলেট/ডি/এসটি

সিলেটজুড়ে


মহানগর