সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলার প্রায়দুই লক্ষাধিক বাসিন্দা পল্লীবিদ্যুতের চোর-পুলিশ খেলায় অতিষ্ঠ হচ্ছে ২৫হাজার গ্রাহক পরিবারের জনজীবন।
উপজেলার মধ্যনগর সদর,চামরদানী, দক্ষিণ বংশীকুন্ডা ও উত্তর বংশীকুন্ডা সহ চারটি ইউনিয়নের প্রায় ২৫হাজার গ্রাহক শরৎ কালের ভ্যাপসা গরমে "দিনে নাই শান্তি রাতে নাই ঘুম"। চারটি ইউনিয়নের গ্রাহকগনপল্লী বিদ্যুৎ সরবরাহ পাচ্ছেন "চোর পুলিশ খেলা" সর্ব্বোচ্চ একঘন্টার বেশী সার্ভিস দিচ্ছে না এমনটিই বলছেন ভুক্তভোগী গ্রাহকগন।
একাধিক গ্রাহকের অভিযোগ রয়েছে বৃষ্টির দিনে কিছুটা বিদ্যুতের দেখা মিললেও হাড়িয়ে যায় রৌদ্রের দেখা পেরেই।প্রায় দুমাস যাবৎ দিনের চার ভাগের তিনভাগ সময়ই থাকে না বিদ্যুৎ।যার দরুন উপজেলার ছাত্র/ছাত্রীদের লেখাপড়ার বিঘ্ন ঘটছে।শিশু বৃদ্ধ সহ সববয়সী জনমানুষের ঘুম ও স্বাভাবিক জীবিকা ব্যাহত হচ্ছে।এবং ভাদ্রের প্রচন্ড গরমের উত্তাপে বিদ্যুৎহীন সময়ে রাতে ঘুম হারাম করে ঘরের বাহিরে সময় কাটাচ্ছেন জনমানুষ।
এবিষয়ে মধ্যনগর সদরের বাসিন্দা পল্লী বিদ্যুৎ গ্রাহক লিটন চন্দ্র বণিক জানান শরতের এই ভ্যাপসা গরমে আমরা না মরেও বেঁচে আছি।উচিত মূল্য দিয়েও পাচ্ছিনা বিদ্যুৎ সরবরাহ।এমন উদাসীনতা যেন শুধুমাত্র মধ্যনগর উপজেলার জন্যই।আমি সদরে থাকলেও সময়মতো তুলতে পারিনা পানি,রাতের ঘুম হারাম ছেলেমেয়েদের লেখাপড়াতো শেষের পথে।যা অত্যন্ত দুঃখজনক আমি যথাযথ কর্তৃপক্ষের নিকট জোর দাবী জানাই সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ সরবরাহ করার জন্য।
মধ্যনগর উপজেলার পল্লীবিদ্যুৎ অভিযোগ কেন্দ্রের ইনচার্জ লাইনম্যান গ্রেড-১ মোঃদেলুয়ার হোসেনের সাথে কথা বলে জানা যায়,আশুগঞ্জ একটি ও জামালপুরে একটি পাওয়ার প্লান্ট ফেসে গেছে।যার কাজ চলমান।এছাড়াও মধ্যনগর ও ধর্মপাশায় দুই উপজেলায় বিদ্যুতের চাহিদা রয়েছে প্রায় ৮মেঃওয়াট।কিন্তু পেয়ে থাকি মাত্র ৩থেকে চার মেঃওয়াট যার কারণে এমনটা।মধ্যনগর উপজেলার লাইনটি আলাদা করার জন্য সংষ্কার কার্য্য চলমান, সময় লাগতে পারে প্রায় আরো একমাস।এরপরে হয়তো অনেকটা চাহিদা মিটতে পারে।
আজকের সিলেট/প্রতিনিধি/ডি/এপি
মধ্যনগর (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি 








