আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর রাজনৈতিক হয়রানিরমূলক মামলা গুলো থেকে বিএনপির নেতাকর্মীরা খালাস পাচ্ছেন। সেই ধারাবাহিকতায় আজ বিস্ফোরক ও বিশেষ ক্ষমতা আইনে ২০১৫ সালে দায়ের করা একটি রাজনৈতিক মামলা থেকে খালাস পেয়েছেন সিলেট বিএনপি ও অঙ্গ-সংঠনের ৩১ জন নেতাকর্মী।
রোববার সিলেটের সিনিয়ার জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-১ এ রায়ে খালাস ঘোষণা করেন।
২০১৫ সালে দেশব্যাপী বিএনপির অবরোধ আন্দোলন চলাকালে সিলেটের কোতোয়ালি থানায় পুলিশ বাদী হয়ে বিস্ফোরক ও বিশেষ ক্ষমতা আইনে এ মামলাটি দায়ের করেছিল।
বিষয়টি আসামি পক্ষের আইনজীবী টিমের সদস্য অ্যাডভোকেট আব্দুল মুকিত অপি নিশ্চিত করেছেন।
খালাস পাওয়া নেতাদের মধ্যে হলেন, ছাত্রদলের সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা, সিলেট মহানগর বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও শিক্ষানুরাগী মাহবুব চৌধুরী, অ্যাডভোকেট সামছুজ্জামান জামান, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব শাকিল মুর্শেদ, মহানগর বিএনপি নেতা ও ছাত্রদলের সাবেক কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক রেজাউল করিম নাচন।
রায়ের পর এক প্রতিক্রিয়ায় বিএনপি নেতা মাহবুব চৌধুরী বলেন, শেখ হাসিনার ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে বিচার বিভাগ থেকে অনেক অবিচার হয়েছে। পুলিশের এই মিথ্যা মামলায় দীর্ঘ ৯ বছরের এই হয়রানির দায় কে নেবে? বিচার বিভাগ থেকে যেন আর কোন অবিচার না হয়। নতুন প্রজন্ম আর কথার ফুলঝুরি শুনতে চায়না তাই নতুন ধারার রাজনীতি ও সরকার প্রতিষ্ঠার লড়াই জারি রাখতে হবে। কেউ হাজার হাজার কোটি টাকা পাচার করে দেবে আর কেউ দুই বেলা খেতে পারবেনা এই বৈষম্যের রাজনীতি বিএনপি আর চলতে দিবে না। প্রত্যেকে তার সামর্থ অনুযায়ী ব্যবসা করবে ও মেধার ভিত্তিতে চাকরি করবে সেরকক একটা লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি করাটাই আমাদের লক্ষ্য। জাতীয় সংসদকে একটি প্রকৃত জবাবদিহিমূলক সংসদ হিসাবে গড়ে তুলতে হবে।
একটি গনতান্ত্রিক, সাম্য ও মানবিক মর্যাদার বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারলে জুলাই গনঅভ্যুত্থানের শহীদদের রক্ত এবং আত্মত্যাগ প্রকৃত মর্যাদা পাবে।
আজকের সিলেট/ডি/এপি









